সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ৭ এপ্রিল: গ্রামের দেড় কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা। সারাই হয়নি বহুকাল। নিকাশির বালাই নেই। তাই বর্ষা এলেই রাস্তা জলে ডুবে যাওয়াই ভবিতব্য। অভিযোগের এখানেই শেষ নয়। এলাকার অনেকেই আবাস যোজনা থেকে বঞ্চিত। ভোটের আগে নেতাদের দেখা যায়, কিন্তু ভোট হয়ে গেলে এই গ্রামের দিকে ফিরেও তাকান না কেউ। পঞ্চায়েতের কাছে এই অভিযোগের তালিকা নিয়ে গ্রামবাসীরা একাধিকবার দরবার করেছেন বলে দাবি, কিন্তু কাজ হয়নি। সমস্যার সমাধান না হলে ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি দিলেন বনগাঁ ব্লকের ট্যাংরা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা।
শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ ব্লকের ট্যাংরা গ্রাম পঞ্চায়েতে দিদির দূত হিসাবে আসেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। এলাকায় ঢুকতেই বিধায়ককে ঘিরে ধরে গ্রামের মহিলারা। তাঁদের অভিযোগ, এই গ্রামে প্রায় ৩০০ টির বেশি পরিবারের বাস। তাঁদের একমাত্র রাস্তার দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থা। হেঁটে চলাচলের মতো অবস্থা নেই। মাঝে মধ্যেই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন গ্রামের মানুষ। ভোটের আগে রাস্তা সংস্কার না হলে এই গ্রামের একটিও মানুষ ভোট দেবে না। পরে সাধারণ মানুষকে রাস্তা সংস্কার করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন দিদির দূত বিশ্বজিৎ দাস।

প্রসঙ্গত, বিশ্বজিৎ দাস নিজের বিধানসভা কেন্দ্র সহ একাধিক জায়গায় ক্ষোভ-বিক্ষোভের মুখে পড়েন। এই বিষয়ে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, সাধারণ মানুষের দাবি ন্যায় সঙ্গত। আগামীতে এই রাস্তা কি করে সংস্কার করা যায় আমরা সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।
বিজেপির বিধায়ক স্বপন মজুমদার বলেন, তৃণমূল সরকার আসার পর ওই গ্রামে কোনো উন্নয়নের কাজ করেনি। রাস্তাঘাট, জল, আবাস যোজনার ঘর সহ একাধিক প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করেছে এই সরকারের নেতা মন্ত্রীরা, তা প্রমাণিত। বিজেপি ক্ষমতায় এলে গ্রামের উন্নয়নের দিকে লক্ষ্য থাকবে। সাধারণ মানুষ বুঝে গিয়েছে এই সরকার কাটমানি নেওয়ার সরকার।

