বিক্ষোভ জেলার পর জেলায় সংক্রমিত হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী কার মুখের দিকে তাকিয়ে বসে আছেন, প্রশ্ন সুকান্তর

আমাদের ভারত, ১৩ জুন: নবী বিতর্কে হাওড়া জেলায় যে তাণ্ডব শুরু হয়েছিল তার অশান্তির আঁচ ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যের একাধিক জেলায়। হাওড়ার পর অশান্ত হয় মুর্শিদাবাদ। এরপর গতকাল নদিয়া জেলায় একটি বিক্ষোভ মিছিল বেথুয়াডহরি স্টেশনে ঢুকে ট্রেন ভাঙ্গচুর করে। সোমবার আবার হাসনাবাদের কাজিপাড়া স্টেশনে ট্রেন আটকে বিক্ষোভ দেখায় একদল মানুষ। বিজেপির অভিযোগ, এই অশান্তি বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে না সরকার। সুকান্ত মজুমদার প্রশ্ন তুলেছেন এত কিছুর পরও কার মুখের দিকে তাকিয়ে বসে আছেন মুখ্যমন্ত্রী?

রবিবার থেকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে বিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছে। তিন দিন এই বিক্ষোভ চলার কথা। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “দলের পক্ষ থেকে আমরা বলতে চাই রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকুক। সাধারণ মানুষ সম্প্রীতি বজায় রাখুখ।” তিনি বলেন, “গতকাল আমরা যে দাবি করেছিলাম সে দাবি এখনও রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের সাথে কথা বলে আধাসেনা নামানোর ব্যবস্থা করুন।” সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমি গতকালই বলেছিলাম এক জেলা থেকে অন্য জেলায় এই সমস্যা সংক্রমিত হবে। আমার সেই ভবিষ্যৎবাণী সত্যি প্রমাণিত হয়েছে। আমরা দেখলাম নাকাশিপারার বেথুয়াডহরিতে ভয়ঙ্কর তান্ডব। দোকানপাট ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি ট্রেন ভাঙ্গা হয়েছে। স্টেশন ভাঙ্গচুর করা হয়েছে।” তিনি প্রশ্ন তোলেন,” আমি বুঝতে পারছি না মুখ্যমন্ত্রী কার মুখের দিকে তাকিয়ে বসে আছেন? উনি কি আশা করছেন, আমরা বুঝতে পারছি না। মুখ্যমন্ত্রীর উচিত কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া।”

এদিকে আবার নারকেলডাঙা থানা পুলিশ বিজেপি নেত্রী নুপুর শর্মাকে তলব করেছে। সুকান্ত মজুমদার এই প্রসঙ্গে বলেন, “তৃণমূল সরকার দুমুখো নীতি নিয়ে চলছে। আমরাও আজকে এফআইআর করছি ত্বহা সিদ্দিকির বিরুদ্ধে। কারণ তিনি ভগবান শিবের সম্পর্কে অত্যন্ত অপমান জনক কথা বলেছেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনো নোটিশ জারি করা হয় না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *