বাংলাদেশে ইস্কন মন্দির-সহ একশোর বেশি দুর্গা পুজোর মণ্ডপে হামলার প্রতিবাদে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মিছিল রাষ্ট্রসংহতির

সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ২৩ অক্টোবর: বাংলাদেশের কুমিল্লা, নোয়াখালিতে ইস্কন মন্দির-সহ একশোরও বেশি দুর্গাপুজোর মণ্ডপে হামলার প্রতিবাদে মিছিল। শনিবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এই কর্মসূচির আয়োজন করে রাষ্ট্রসংহতি৷ এদিন এই মিছিলে পাঁচ হাজার মানুষ যোগ দেয়। মিছিল বনগাঁর বাটার মোড় থেকে পেট্রাপোল সীমান্তের তিন নম্বর গেট পর্যন্ত যায়। তারপরই পুলিশ ব্যারিকেট করে আটকে দেয় মিছিল। সেখান প্রায় এক ঘন্টা ধরে বিক্ষোভ দেখায় রাষ্ট্রসংহতির সদস্যরা।

মিছিলে অংশ নেন রাষ্ট্রসংহতির রাজ্য সভাপতি সমীর গুহ রায়, রাজ্য সহ সভাপতি অজিত অধিকারী সহ অন্যান্য সদস্যরা৷ এছাড়া উপস্থত ছিলেন গাইঘাটার বিধায়ক, বনগাঁর বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া ও বনগাঁ জেলা সংগঠনেক সাধারণ সম্পাদক দেবদাস মণ্ডল। তাদের বক্তব্য, যেভাবে কিছু মানুষ সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়াতে চাইছে, তা প্রতিহত করতে সবাইকে একজোট হতে হবে ৷ গোটা ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাষ্ট্রসংহতির সদস্যরা৷ তোলেন মৌলবাদকে প্রশ্রয় দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ। এছাড়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও প্রচুর অভিযোগ তোলেন।

রাজ্য সহ-সভাপতি অজিত অধিকারি, দেবদাস মণ্ডল ও অশোক কীর্তনিয়া বলেন, বাংলাদেশ জেহাদিদের দ্বারা হিন্দু মঠ ও মন্দির ভাঙ্গচুর ও সনাতন হিন্দুতে লাগাতার হত্যা, এছাড়া তাঁদের ঘরবাড়ি ভাঙ্গচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে বাংলাদেশ চলো ডাকে এক বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। এদিনের এই মিছিল থেকে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর যে নির্মম অত্যাচার হয়েছে সেই ঘটনার দোষীদের অবিলম্বে শাস্তির দাবিতে এক বিক্ষোভ মিছিলে সামিল হন সাধারণ মানুষও। বিক্ষোভকারীদের দাবি, যেভাবে হিন্দুদের উপর অত্যাচার হয়েছে তাতে আগামী দিনে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি হতে পারে। বাংলাদেশ সরকার অবিলম্বে এই অত্যাচার যদি বন্ধ না করে আগামী দিনে বাংলাদেশের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক বিচ্ছেদ করে দেওয়া হবে। পেট্রাপোল সীমান্ত সিল করে দেওয়ার কথাও বলেন তাঁরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *