আমাদের ভারত, ২৬ জুন:করোনা পরিস্থিতিতে জ্বালানি মহার্ঘ হয়েছে। দেশের বহু রাজ্যে চলছে লকডাউন। ফলে থমকে রয়েছে সমস্ত রকম অর্থনৈতিক কাজ। এরই মধ্যে মূল্যবৃদ্ধিতে নাজেহাল আমজনতা। দেশে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি একরকম রেকর্ড ছুঁয়েছে বলা যেতে পারে। বেড়েছে খাদ্য সামগ্রীর দাম। ব্যাপক বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। কিন্তু এবার এই ক্ষেত্রে আশার বাণী শোনালেন কেন্দ্রের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টার কে ভি সুব্রামাণ্যম।
মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা জানান আনলক পর্ব শীঘ্রই চালু হবে আর তার ফলেই অর্থনৈতিক ক্রিয়া-কলাপ চালু হয়ে যাবে। চলতি বছরে বর্ষাও ঠিক সময় এসেছে। ফলে চাষবাসের বেশ উন্নতি হবে আর জিনিসপত্রের দাম কমতে শুরু করবে। খাদ্য সামগ্রীর দাম কমতে শুরু করবে। পাইকারি মুদ্রাস্ফীতিও আয়ত্তে আসবে। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর বিনামূল্যে রেশন প্রকল্পের জন্য দেশের সর্বত্র পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব পড়বে না বলে দাবি করেছেন তিনি।
লকডাউনের কারণে মে মাসে পাইকারি বাজারে মুদ্রাস্ফীতির হার ১২.৯৪ শতাংশ পৌঁছেছে। যার রিজার্ভ ব্যাংকের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যায়। এর আগে এপ্রিলে দেশের পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি ছিল ১০.৪৯ শতাংশ। মার্চ মাসে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৭.৩৯ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞদের মতে মূলত পেট্রোলিয়ামের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি। গত কয়েক মাসে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। বহু জায়গাতেই পেট্রোলের দাম সেঞ্চুরি পার করেছে। এমনকি ডিজেলও ১০০ টাকার গন্ডি পার করেছে।

