অশোক সেনগুপ্ত
আমাদের ভারত, কলকাতা, ২১ মার্চ: পশ্চিমবঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারির সম্ভাবনা নিয়ে মন্তব্য করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে আক্রমণ করে সুকান্তবাবু বলেছেন, ”আগামী দিনে রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি হওয়ার মতো পরিস্থিতি না তৈরি হয়, সেই সন্দেহ করছি।”
সুকান্ত মজুমদারের এহেন মন্তব্য রাজনৈতিক দিক থেকে উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করার ৬ ঘন্টা বাদে বেলা একটা নাগাদ এই খবরে লাইক, মন্তব্য ও শেয়ারের সংখ্যা হয়েছে যথাক্রমে ৮৯৩, ৪৩, ও ৯। বেলা দুটোয় সংখ্যাগুলো দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে হাজার, ৫৪ ও ১০। প্রায় সব ক’টি মন্তব্যেই বিরোধী সুর।
অচিন্ত্য বসু লিখেছেন, “হাহাহাহা ! কোনো সম্ভাবনা নেই ! যারা কিছু রাজনীতি বোঝে না তারা নিজের শান্তির জন্যে এই কথা বলে !” চিন্ময় মিত্র লিখেছেন, “রাষ্ট্রপতি শাসন বললেই তো আর রাষ্ট্রপতি শাসন হয় না। প্রথমত রাজ্যপালের ভূমিকা রাজ্যের সাধারণ মানুষের জানা। জোর করে চাপিয়ে দিলে পরে একেবারে শূন্যে চলে যাবে। লাভের লাভ কিছু হবে না।“ তাপস গুপ্ত লিখেছেন, “বাংলা আপনার গুরুদেবের জমিদারি নয় সুকান্তবাবু। বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাটি। মাথায় রাখবেন। আগে নিজের ওয়ার্ড এ জিতে দেখান।“
অমিত পাল লিখেছেন, “রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে উত্তরবঙ্গকে আলাদা করার ষড়যন্ত্র চলছে।“ বিশ্বজিৎ সরকার লিখেছেন, “প্রথম কোনওদিনই হতে পারবেন না। ছিলেন দ্বিতীয় এখন ক্রমশ তৃতীয় থেকে চতুর্থ স্থানের দিকে এগোচ্ছেন, তাই রাষ্ট্রপতি শাসনের জিগির।“
বিএন দাস লিখেছেন, “নিয়ন্ত্রনের অধীনে থেকে বক্তব্য পেস করুন সুকান্তবাবু ! রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা জাতীয় ক্ষমতা, আপনার অবাঞ্চিত বক্তব্য রাষ্ট্রীয় নেতাদের ও রাষ্ট্রনাকদের বিড়ম্বনায় ফেলতে পারে।
নূর আলম লিখেছেন, “কিসের জন্য! ক্ষমতায় না আসতে পাবার জন্য? একরাশ সমবেদনা। সঠিক সমস্যাগুলো তুলে ধরুন তাহলেও কাজ হতে পারে।”
সোমনাথ ঘোষ লিখেছেন, “নপুংসকগুলোর মানুষের ভোটে জেতার ক্ষমতা নেই তাই এরা কেন্দ্রের এজেন্সিগুলোর ভয় দেখায় কথায় কথায়। রাষ্ট্রপতি শাসনের ভয় দেখায়। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের ২ বছর আগে থেকে এরা কথায় কথায় এই ভয় দেখিয়ে এসেছে। নির্বাচনে বাংলার মানুষ এদের মুখে সপাটে জুতো মেরেছে। নির্বাচনে এরা গোহারা হেরেছে। তারপর কিছু দিন চুপ ছিল এখন আবার শুরু করেছে। কারন এরা জানে ২০২৪ এ লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় ধুলিসাৎ হয়ে যাবে। কেউ জিততে পারবে না বলে আবার পুরনো কায়দা শুরু করেছে।”

