আমাদের ভারত, ২৩ মে: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় যস(Yaas)। ২৬ মে পশ্চিমবঙ্গ ওড়িষা উপকূলে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে এই ঘূর্ণিঝড়ের। তার আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সচিব রাজীব গৌবা এই আসন্ন বিপর্যয় মোকাবিলা করার জন্য বৈঠক সারলেন। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কমিটির সঙ্গে তিনি বৈঠক করে আগে থেকেই সব প্রস্তুতি সেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে এই পরিস্থিতিতে যাতে কোনোভাবেই কোভিড সেন্টার ও হাসপাতালগুলিতে সমস্যা না তৈরি হয় সেদিকে বিশেষ নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মৌসম ভবনের ডায়রেক্টর জেনারেল ও অন্য আধিকারিকরাও। বিপর্যয় মোকাবিলায় উপকূলের নিচু এলাকাগুলো থেকে মানুষকে আগেই নিরাপদ আশ্রয় নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। খাবার, জল, ওষুধ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের কোনো অভাব যেনো না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে বলা হয়েছে।
কেন্দ্র জানিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ৬৫টি দলকে মোতায়েন করা হয়েছে দুই রাজ্যে। এছাড়াও আরও ২০টি দল তৈরি থাকবে। প্রয়োজন পড়লে তারাও উদ্ধার কাজে নামবে। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, উপকূল রক্ষী বাহিনীকে তৈরি রাখা হয়েছে। তারাও প্রয়োজনে উদ্ধারকাজ নেমে পড়বে।
এই মুহূর্তে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর তৈরি হওয়ার নিম্নচাপ ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করছে।এই নিম্নচাপের গতি প্রকৃতির দিকে নজর রেখেছে নৌবাহিনী। পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িষা উপকূলে যেখানে ক্ষয়ক্ষতি হবে সেখানে ত্রাণ, অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে পৌছে যাবে নৌবাহিনীর জাহাজ। এছাড়া বিশাখাপত্তনমে আইএনএস ডেগা ও চেন্নাই আইএনএস রজলিকে তৈরি রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে নৌবাহিনীর বিমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে বমানুষকে সরিয়ে আনার কাজ করা হবে।

