আমাদের ভারত, বর্ধমান, ১৮ জুলাই: একটা গাছ একটা প্রাণ। তবে শুধু গাছের চারা রোপন করলেই চলবে না, তাকে ছোট্ট শিশুর মতো লালনও করতে হবে। প্রথম ৭৫ দিন সর্বক্ষণ নজর রাখতে হবে এই বার্তা দিচ্ছে প্রজাপিতা ব্রহ্মকুমারী ঈশ্বরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ধমান শাখা৷ কল্পতরু অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আট থেকে আশির হাতে গাছের চারা তুলে দেন ডিএসপি ট্রাফিক অতনু ব্যানার্জি, সমাজসেবী সনৎ নন্দী, সংস্থার প্রধান বিকে রুমা সহ অন্যান্য অতিথিরা।
ব্রহ্মকুমারী ঈশ্বরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে বার্তা দেওয়া হয় প্রকৃতি আমাদের সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্নভাবে কিছু কিছু না কিছু দিয়ে যাচ্ছে। বিনিময়ে আমরা তাদের কিছুই ফিরিয়ে দিচ্ছি না। উলটে মানুষের ভুলের জন্য বাড়ছে পরিবেশ দূষণ, জল দূষণ, বায়ু দূষণ, সেই সঙ্গে হচ্ছে সংকল্প দূষণ। ফলে আমাদের মনের বিকাশ ব্যহত হচ্ছে। মনের বিকাশ ঘটাতে হলে চারা রোপনের পাশাপাশি পজিটিভ চিন্তাভাবনা বাড়াতে হবে। তাই চারাগাছের পরিচর্যা করা যেমন দায়িত্বের মধ্যে পড়ে ঠিক তেমনি পজিটিভ সংকল্প গ্রহণ করতে হবে। বর্তমান সময়ে প্রকৃতিকে নিয়ে বিজ্ঞানীদের চিন্তা বাড়ছে। তাই আমাদের প্রত্যেকের ভাবনাচিন্তা করার সময় এসেছে।

ব্রহ্মকুমারী ঈশ্বরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ধমান শাখার প্রধান বিকে রুমা বলেন, মূলত এটা বৃক্ষরোপণের অনুষ্ঠান। কিন্তু আমরা তো বৃক্ষ সবাই রোপন করি। কিন্তু চারা লাগানোর পরে কালকে আমরা ভুলে যাই ফলে সেই চারা গাছ নষ্ট হয়ে যায়। তাই ৫ ই জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস থেকে ৭৫ দিনের জন্য একটা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সেখানে এই ৭৫ দিনে শুধুমাত্র একটা চারা গাছকে রোপন করা নয় তাকে পালন করে রক্ষণাবেক্ষণ করা করা হবে। সেই সঙ্গে আমাদের চিন্তা ভাবনাকেও পজিটিভ স্তরে নিয়ে যেতে হবে। আমাদের মধ্যে যে ভালো গুণগুলো রয়েছে শান্তি, প্রেম, সহনশীলতা, নম্রতা ও করুনা সেই গুণগুলোকে আরো উন্নত করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য সারা ভারতবর্ষজুড়ে ৪০ লক্ষ গাছ লাগানো। ইতিমধ্যেই সেই লক্ষ্য পূরণ হয়ে গেছে। আমরা আরো বেশি লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি।

