আমাদের ভারত, ৬ মার্চ: এস আই আর- এর কারণে রাজ্যে ইতিমধ্যেই ৬৩ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। বিবেচনাধীন রয়েছে ৬০ লক্ষ নাম। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশন, বিজেপি তথা কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়ে কলকাতায় শুক্রবার থেকে ধর্না শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে বিষয়েই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, বিরোধী নেত্রী হওয়ার প্র্যাকটিস করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে, সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কোনো অসুবিধা নেই, প্র্যাকটিস করছেন উনি। কয়েকদিন পর তো বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী হবে, আর উনি বিরোধী দলনেত্রী হবেন। মাঝে মাঝে ধর্না দিতে হবে। এখন থেকেই প্র্যাকটিসে থাকা ভালো।
একদিকে রাজ্য রাজনীতি যখন এস আই আর ও আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে, তখনই ইস্তফা দিয়েছেন রাজ্যের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নয়া দিল্লিতে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে ইস্তফা পত্র জমা দেন। এই ঘটনায় সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্য- রাজনীতি। বিজেপি বিরোধী সব দলই ঘটনার সমালোচনায় সরব হন। রাজ্যপালের আচমকা ইস্তফা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “রাজ্যপাল তো স্বয়ং নিজে লিখেছেন, উনি অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন।”
রাজ্যপালের পদত্যাগের বিষয়টি সামনে আসার পরই রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে একাধিক রাজ্যের রাজ্যপাল পদের রদবদলের বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আর এন রবিকে পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত বাবু বলেন, “এরপর কী আছে নতুন রাজ্যপাল হয়েছেন। আপনারা জানেন অন্তর্বর্তী দায়িত্ব নিচ্ছেন তিনি। আগামী দিনে স্থায়ী হবেন কিনা সেগুলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিষয়।”
আনন্দ বোসের ইস্তাফার বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে পরবর্তী রাজ্যপালের নাম নির্ধারণের আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তার সঙ্গে আলোচনা করেননি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য, “মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করতে হবে ভারতবর্ষের সংবিধানে এটা কোথাও লেখা নেই।”

