রাজেন রায়, কলকাতা, ২০ মার্চ: করো না পরিস্থিতির পরেও রাজ্যে হয়নি পুরভোট। ফলে পুরসভাগুলিতে যারা মেয়র বা চেয়ারম্যান ছিলেন, তাদেরই পুর প্রশাসক পদে বসিয়েছে তৃণমূল। কিন্তু নির্বাচনী আচরণবিধি জারী হয়ে যাওয়ায় কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কোনওভাবেই রাজ্য প্রশাসনের কোনো সরকারই থাকতে পারেন না। নির্বাচন কমিশনে আগেই অভিযোগ করেছিল বিজেপি। শনিবার এক নির্দেশিকা জারি করে সোমবার সকাল দশটার মধ্যে রাজ্যের ৫ পুরসভা প্রশাসক এবং প্রশাসক মন্ডলীকে করিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন দায়িত্ব বন্টনের জন্য তৈরি হবে ৩ সদস্যের কমিটি।
কলকাতা-সহ রাজ্যের বেশিরভাগ পুরসভার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে গত বছরেই। কিন্তু করোনা আতঙ্কে শেষবেলায় স্থগিত হয়ে যায় নির্বাচন। এরপর আপদকালীন পরিস্থিতিতে পরিষেবা চালু রাখতে পুরসভাগুলিতে প্রশাসক নিয়োগ করে সরকার। আগের বোর্ডে যিনি মেয়র বা চেয়ারম্যান ছিলেন, তিনিই প্রশাসকের দায়িত্ব পান। কিন্তু বিধানসভাকে এড়িয়ে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। ভোটের মুখে এবার সমস্ত পুরপ্রশাসককে সরানোর নির্দেশ জারি করল কমিশন।
দায়িত্ব ছাড়তে হবে যাঁদের
————————–
কলকাতা পুরসভা:
ফিরহাদ হাকিম
অতীন ঘোষ
দেবব্রত মজুমদার
দেবাশিষ কুমার
মনজুর ইকবাল
সামসুজ্জামান আনসারি
তারক সিং
ইন্দ্রাণী সাহা বন্দ্যোপাধ্যায়
স্বপন সমাদ্দার
শেখ আমিরুদ্দিন
রতন দে
রাম পেয়ারে রাম
আসানসোল:
অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়
তব্বসুম আরা
লক্ষ্মণ ঠাকুর
অভিজিৎ ঘটক
অঞ্জনা শর্মা
দিব্যেন্দু ভকত
পূর্ণশশী রায়
মীর হাসিম
বিধাননগর:
কৃষ্ণা চক্রবর্তী
তাপস চট্টোপাধ্যায়
রহিমা বিবি
দেবরাজ চক্রবর্তী
বীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস
সুধীর কুমার সাহা
দেবাশিস জানা
চন্দননগর:
স্বপনকুমার কুণ্ডু
রাম চক্রবর্তী
মুন্না আগরওয়াল
অনিমেষ বন্দ্যোপাধ্যায়
স্নিগ্ধা রায়
শিলিগুড়ি:
অশোক ভট্টাচার্য
রামভজন মাহাতো
কমল আগরওয়াল
শঙ্কর ঘোষ
শরদিন্দু চক্রবর্তী (জয়)
মুন্সি নুরুল ইসলাম
মুকুল সেনগুপ্ত

