সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ২৭ ফেব্রুয়ারি: বিরোধী দলের সাংসদের স্ত্রীকে রাস্তায় ৩০ মিনিট দাঁড় করিয়ে রাখল পুলিশ। এমনই অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। পাশাপাশি তিনি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মতুয়াদের মিথ্যা প্রতুশ্রুতি দিয়েছেন।শনিবার সকালে ঠাকুরনগরে নিজের বাড়িতে সাংবাদিক
বৈঠক করে গোটা ঘটনার কথা জানান সাংসদ শান্তনু ঠাকুর।

বৃহস্পতিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা ছিল উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ি মেলার মাঠে। সেই জনসভায় তিনি এসে তখনও পৌঁছায়নি। সেই সময় মতুয়া অনুষ্ঠান সেরে বাড়ি ফিরছিলেন বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী সোমা ঠাকুর। শান্তনু ঠাকুরের অভিযোগ, তাঁর স্ত্রীকে ইচ্ছাকৃত ভাবে হেনস্থা করার উদ্দেশ্যে তাঁকে বাড়ি থেকে কিছু দূরে রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একজন সাংসদ, সেই সাংদের জন্য অন্য এক সাংসদের স্ত্রীকে আধ ঘন্টা রাস্তার পাশে আটকে রাখা হল কেন? তিনি এতে অপমানিত হয়েছে বলে জানান।

পাশাপাশি অভিষেকের জনসভা নিয়ে তোপ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ওই জনসভা নামেই জনসভা তাতে জনতা ছিল না। লোক হয়েছে মেরে কেটে কয়েক হাজার। সেখানে সিভিক ভলান্টিয়ার ছিল সাত হাজার। এছাড়া বসিরহাট, বারাসত, দেগঙ্গা থেকে লোকজন ধরে আনা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে মানুষের মনে এক বিন্দুও দাগ কাটেনি। তারপরেও তিনি মঞ্চে উঠে মিথ্যা কথা বলেছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিপ্যাডে নাকি জল ঢেলে দেওয়া হয়েছে সভা বানচাল করার জন্য। তিনি কী জানেন যে মাঠে জল ঢালা হয়েছে সেটি একজন কৃষকের ধান চাষের জমি। সেই জমিতে এক হাতের উপরে ধান গাছ হয়েছে। তাঁর জমিতে সে জল দিয়েছে। তাঁর সভা বানচাল করার উদ্দেশ্যে নয়। এই ভাবে মিথ্যা প্রচার করে মানুষের ভোট পাবে না। এদিন সভা করতে এসে মন্দিরের পূজারিকে মন্দির থেকে বের করে দেওয়া হয়। তিনি কোন মিনিস্টার যে তাঁর জন্য এতো নিরাপত্তা? তিনিও একজন আমার মতো সাংসদ, তাঁর জন্য আমার স্ত্রী কেন বাড়ি ঢুকতে পারবে না। পুলিশের এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ মতুয়ারাও। যদিজ অভিযোগ অস্বীকার করেন বনগাঁর প্রাক্তন সাংসাদ মমতাবালা ঠাকুর।

