আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ২৬ এপ্রিল: শহরের রাস্তায় টোটোয় ওভারলোডিং। কেউ তুলছে কাঁচা সবজি, কেউ আবার বড় কার্টুন। সামগ্রী বহন করার জন্য বাদ দেওয়া হচ্ছে না টোটোর ছাদ-ও। এই অবস্থা সমাল দিতে এবার ধরপাকড় শুরু করল পুলিশ।
জলপাইগুড়ি শহরের রাস্তায় ই-রিক্সা চালানোর জন্য বেশ কিছু বিধিনিষেধ করে দেওয়া হয়েছিলো প্রশাসনের পক্ষ থেকে। তার মধ্যে ৪ জনের বেশী যাত্রী বহনকরা যাবে না। যাত্রী ছাড়া ই-রিক্সাতে অন্যকোনও সামগ্রী বহন করা যাবে না। ১৮ বছরের নীচে বয়স এমন কেউ ই-রিক্সা চালাতে পাবে না। কিন্তু এর কোনওটাই মেনে চলা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার শহরের দিনবাজার, মার্চেন্ট রোড, কদমতলা সহ একাধিকা জায়গাতে লাগাতার অভিযান চালিয়ে দুপুর পর্যন্ত প্রায় একশো টি ই-রিক্সা আটক করে ট্রাফিক। এদিন ই-রিক্সা চালক চানমোহন মন্ডল বলেন, তিনি গাজোল ডোবা থেকে মার্চেন্ট রোডে এসেছিলেন স্টিলের রড কিনতে। সেই রড কিনে ই-রিক্সায় তুলে ছিলেন। তার পরেই ই-রিক্সা আটক করে থানায় নিয়ে আসে সদর ট্রাফিক পুলিশ। পুলিশের বক্তব্য, বহুবার বলার পরেও কোনও হেলদোল দেখা যাচ্ছে না ই-রিক্সা চালকদের মধ্যে। তাই বাধ্য হয়েই অভিযানে নামা হয়েছে। এই অভিযান লাগাতার চলবে।

ট্রাফিক পুলিশের এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন আইএনটিটিইউসির টাউন ব্লক সভাপতি পূণ্যব্রত মৈত্র। তিনি বলেন, কোনও ই-রিক্সায় কোনও বিমা নেই। কোনও দূর্ঘটনা ঘটলে ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না। তবে চালকদের নিয়ে সরকারি নির্দেশের বিষয় নিয়ে সচেতনতা ক্যাম্প করা হবে বলে জানান।

