চারদিন ধরে নিখোঁজ আদিবাসী কিশোরীর নির্জন এলাকা থেকে দেহ উদ্ধার কুমারগঞ্জে, ধন্দে পুলিশ

পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ১ নভেম্বর: চার দিন ধরে নিখোঁজ আদিবাসী কিশোরীর ঝুলন্ত পচাগলা দেহ উদ্ধার ঘিরে রহস্য। খুন না অন্যকিছু, ধন্দে পুলিশ। মঙ্গলবার কুমারগঞ্জের ভোওর এলাকার এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। যদিও ঘটনার পরেই এলাকায় পৌঁছে পচাগলা ওই কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে কুমারগঞ্জ থানার পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ওই কিশোরীর নাম খুশি মুর্মু(১৪)। বাড়ি ভোওর গ্রাম পঞ্চায়েতের পলিপাড়া এলাকায়। শুক্রবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল ওই আদিবাসী কিশোরী। আত্মীয়স্বজনের বাড়ি খোঁজাখুঁজি করেও হয়রান হয়েছিল ওই কিশোরীর পরিবার। মেয়েকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছিলেন অসহায় ওই আদিবাসী পরিবার। অবশেষে এদিন বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে খাড়ির ধারে নির্জন জঙ্গলে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার পচা-গলা দেহ উদ্ধার হয়েছে।

বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসতেই খবর দেওয়া হয় কুমারগঞ্জ থানার পুলিশকে। পুলিশ এলাকায় পৌঁছে কিশোরীর পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্তে নেমেছে। যদিও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি মায়ের বকা খেয়েই নিখোঁজ হয়েছিল ওই কিশোরী। এদিন তার পচাগলা দেহ উদ্ধার হতেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন আদিবাসী পরিবারটি।

এলাকার দুই বাসিন্দা বলেন, মায়ের বকা খেয়েই বাড়ি থেকে বের হয়ে গিয়েছিল সে। আত্মীয় স্বজনের বাড়ি খুঁজেও তার সন্ধান পায়নি পরিবারের লোকেরা। এদিন এলাকার খাড়িতে মাছ ধরবার সময় দুই জেলের নজরে আসে বিষয়টি। পুলিশ এসে ওই আদিবাসী কিশোরীর পচাগলা ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে।

যদিও কুমারগঞ্জ থানার পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *