আমাদের ভারত, পূর্ব মেদিনীপুর, ১২ জুন: হাওড়ায় বিজেপির পোড়া অফিস ঘর দেখতে যেতে শুভেন্দুকে বাধা দিল পুলিশ। প্রায় আড়াই ঘন্টা রাধামণিতে বসে থাকার পরে তিনি কলকাতার উদ্দেশে যাওয়ার ছাড়পত্র পান।

সকালবেলায় কাঁথিতে শুভেন্দুর বাড়ি শান্তিকুঞ্জ থেকে বেরোনোর আগে শুভেন্দুকে লিখিত নোটিশ দেয় কাঁথি থানার পুলিশ। হাওড়ায় ১৪৪ ধারা জারি আছে। শুভেন্দু অধিকারী হাওড়ায় গেলে শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে এই অজুহাতে হাওড়ায় যেতে নিষেধ করা হয় শুভেন্দু অধিকারীকে। শান্তিকুঞ্জের আশেপাশে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয় শুভেন্দুকে আটকাতে। পরে অবশ্য শুভেন্দু অধিকারী কাঁথি থেকে বেরিয়ে তমলুকে যান। শুভেন্দু অধিকারী আজ দুপুর ১২টা নাগাদ তমলুকের নৈছনপুরে ময়নার বিধায়ক তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার অশোক দিন্দার বাড়িতে যান। সম্প্রতি অশোক দিন্দার মা গত হয়েছেন। আজ তাঁর পারলৌকিক ক্রিয়া ছিল। সেইখানে অশোক দিন্দার মাকে শ্রদ্ধা জানাতে বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারী যান। অশোক দিন্দার বাড়ি থেকে বেরিয়ে হাওড়া যাওয়ার পথে তমলুকের রাধামণিতে শুভেন্দুকে আটকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

১১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে ওঠার মুখেই রাধামণিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম হাসানের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী শুভেন্দু অধিকারীর কনভেনশন আটকে দেয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তাঁকে আটকানো হয় বলে শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন।
প্রায় আড়াই ঘণ্টা আটকে রাখার পরে তাকে কলকাতার দিকে যেতে দেওয়া হয়। এর মাঝে তিনি মুখ্যসচিবকে ফোন করে বিষয়টি জানান। দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার সময় সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাসায় আটকাতে চেয়েছিল। কোন লেবেলে পৌঁছেছে এরা। মমতা ব্যানার্জির নির্দেশে এরা আমাকে আটকেছে। মমতা ব্যানার্জি কোন লেবেলে এদের পাঠিয়েছে দেখুন।

শুভেন্দু অধিকারী আরো বলেন, কাল আমি সকাল দশটায় হাইকোর্টে যাব। আমি তো পুলিশের সাথে মারপিট করব না, জীবনেও করিনি। এরা মমতার পুলিশ, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নয়। রাধামণি থেকে ছাড়া পেয়ে তিনি সরাসরি কলকাতায় গিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে ধর্না মঞ্চে যোগ দেন।

