আমাদের ভারত, হুগলি, ৭ অগস্ট: পুলিশ শুধু পনের মিনিট চোখ বন্ধ রাখুন। যে দেবতা যে ফুলে সন্তুষ্ট। সেই ফুল আমরাও দিতে পারি। রবিবার চুঁচুড়ায় বিজেপির প্রতিবাদ সভায় এসে একথাই বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতির সঙ্গে প্রতিবাদ সভায় হাজির ছিলেন, বিজেপির রাজ্য সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা টিব্রুয়াল, জেলা সভাপতি তুষার মজুমদার সহ বিজেপির একাধিক নেতা কর্মীরা।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার সন্ধ্যেয় চুঁচুড়ার খাদিনামোড়ে বিধায়কের নেতৃত্বে তৃণমূলের লোকজন লাঠি উঁচিয়ে বিজেপি কর্মীদের মারধর করে। এই ঘটনায় বিজেপির বেশ কয়েজন নেতা কর্মী আহত হয়। ওই ঘটনায় পুলিশ বিজেপির নেতা কর্মীদেরই গ্রেফতার করে জেল বন্দি করেছে। রবিবার সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই বিজেপির জেলা অফিস থেকে মিছিল করে চুঁচুড়ার ঘড়ির মোড়ে একটি প্রতিবাদ সভা হয়। সেই সভাতেই হাজির হয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “ওয়ান টু ত্রি ফোর। তৃণমূলের সবাই চোর। অসিত চোর, তপন চোর”। চোরের ব্যাখ্যা দিয়ে সুকান্তবাবু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলেছেন, তপন ভাগ করে খাও। আমরা বললেই দোষ। এরপরই রাজ্য সভাপতি বলেন, চুরি বেশি হলে ইডিও প্রস্তুত আছে। আমরাও চুরির মাল উদ্ধারে ইডি পাঠিয়ে দেব।
এদিন বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, ভিডিও রয়েছে। তথ্য প্রমাণ রয়েছে। বিধায়ক হামলা করছে। তারপরও যারা মার খেল পুলিশ তাদেরকেই গ্রেফতার করল। তারাই জেল খাটছে। চুঁচুড়া হাসপাতালে গুলি চলার প্রসঙ্গ টেনে এনে বলেন, যারা চুঁচুড়া হাসপাতালে গুলি চালিয়েছে। তারা বিধায়কেরই লোক। তারপরই সুকান্ত বাবু বলেন, মার খেয়ে জেলে যেতে হলে মার দিয়ে জেলে যাবেন। আমি আপনাদের জেল থেকে ছাড়ানোর ব্যাবস্থা করব।

বিরোধীদের সেটিংয়ের প্রসঙ্গ টেনে এনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, পনের দিন অপেক্ষা করুন। কি ধরনের সেটিং হয়েছে সেটা দেখতে পাবেন। সবে একজন জেলে গিয়েছে। এরপর জেলে যাবার জন্যে লাইন পড়ে যাবে।
এদিন ওই মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্য সরকারের সমস্ত পরীক্ষা অন লাইনে করার ব্যাবস্থা করা হবে।

