পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ১৯ ডিসেম্বর: রাজ্য সরকার, নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য পুলিশের মেলবন্ধনে চললো ভোট লুটের যাত্রাপালা। যে যাত্রাপালা তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব সফলতার সাথেই সম্পন্ন করেছেন। রবিবার নির্বাচন শেষে বালুরঘাটে এক সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই জানান রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি আরও বলেন, কিছু কিছু নেতা বলছেন ভোটে রিগিং হয়নি, তারা তা দেখতেও পাননি। তাদের উদ্দেশ্যে এদিন কিছুটা কটাক্ষ করে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, যারা এই ঘটনা চোখে দেখতে পাননি তারা বিজেপির সাথে প্রয়োজনে যোগাযোগ করবেন। কেননা রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থা তলানীতে পৌঁছেছে, তাই তাদের চোখের অপারেশন করাতে দক্ষিণ ভারতে পাঠানো হবে।
এদিন সকাল থেকেই কলকাতা পুরোভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে রাস্তায় নামে বিজেপি। বালুরঘাটের হিলি মোড়ে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির নেতা কর্মীরা। এদিন কলকাতা পুর ভোটের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ‘মেরুদণ্ডহীন’ বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি।
সুকান্ত মজুমদার বলেন, কলকাতা কর্পোরেশনে তৃণমূলের চাইতে বিজেপি অনেকটাই কম শক্তিশালী। এই রকম পরিস্থিতিতে তৃণমূল যেভাবে আজ আগ্রাসী ভূমিকা দেখালো তাতে আগামীতে জেলাগুলিতে যে পুর-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সেখানে ভোট করাতে হলে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই ভোট করাতে হবে। জেলাগুলিতে কলকাতার চাইতে বিজেপি অনেকটাই শক্তিশালী। সেখানে পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূল কোনরূপ সন্ত্রাসের চেষ্টা করলে বিজেপি তা প্রতিরোধ করবে। সেক্ষেত্রে বহু প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই জেলাগুলিতে পৌরসভা নির্বাচন করতে হলে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই করতে হবে, নচেৎ নয়।

