আমাদের ভারত, ২২ ফেব্রুয়ারি:আস্থা ভোটে হেরে গেল পদুচেরি কংগ্রেস সরকার।বিধানসভার অধ্যক্ষ জানিয়ে দিলেন সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে না পারায় তাদের আর ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই। ফলে ফলে রাজনৈতিক সঙ্কট তীব্র হয়েছে পদুচেরিতে।
প্রসঙ্গত এপ্রিল-মে নাগাদ ভোট আছে পদুচেরিতে । কিন্তু তার আগেই কংগ্রেস সরকার সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছে। বিরোধীদের এই দাবি মেনে সোমবারই নারায়ণস্বামী সরকারকে আস্থা ভোট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন স্পিকার। আর তাতেই হেরে গেলেন পদুচেরি মুখ্যমন্ত্রী বি নারায়ণস্বামী। আজ বিধানসভায় আস্থাভোটের প্রস্তাবের উপর ভোটাভুটি ছিল। এই আত্মা ভোটের প্রস্তাব জমা দিয়েছিলেন নারায়ণস্বামী নিজেই। বিধানসভায় শক্তি পরীক্ষার আগেই ৩৩ আসনের বিধানসভা কংগ্রেস ডিএমকে জোট সরকারের শক্তি কমে ১১ হয়েছিল। বিরোধীদের সংখ্যা ছিল ১৪। আস্থা ভোট চলাকালে নিজের বক্তব্য শেষ করার পর দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে ওয়াকআউট করেন পদুচেরি মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই পতন হয় সরকারের। বিধানসভার স্পিকার জানিয়ে দেন আস্থা ভোটের পক্ষে যথেষ্ট সংখ্যক বিধায়কের সমর্থন পাওয়া যায়নি।
এরপর পুদুচেরির মুখ্যমন্ত্রী ভি নারায়ানস্বামী বলেন তিনি নিজে ও তার মন্ত্রীরা সহ কংগ্রেস ডিএমকে বিধায়করা সকলেই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। আশা করি তা গৃহীত হবে। তবে এর আগে এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন পদুচেরি মুখ্যমন্ত্রী নারায়ণস্বামী।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ ছিল এর পেছনে বিজেপির কৌশল রয়েছে। নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন বিজেপি তার সরকার ফেলে দিতে চেয়েছে।
নারায়ণস্বামী আরও বলেন,”আমরা ডিএমকে ও নির্দল বিধায়কদের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেছিলাম। তারপর অনেকবার ভোট হয়েছে আমরা সব উপনির্বাচনে জয় পেয়েছি। ফলে পরিষ্কার হয়ে গেছে আমাদের ওপর পদুচেরি মানুষের আস্থা আছে। বিধায়কদের দলের প্রতি বিশ্বস্ত থাকা উচিত। যে বিধায়করা পদত্যাগ করেছেন, তারা মানুষের মুখোমুখি হতে পারবেন না কারন মানুষ তাদের সুযোগ সন্ধানী বলবেন।”

