রাজ্যে ভোট পরবর্তী একের পর এক হিংসায় উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজ্যপালকে ফোন‌ মোদীর

আমাদের ভারত, ৪ মে: রাজ্যজুড়ে ভোট-পরবর্তী একের পর এক হিংসার ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিজেপি তরফে অভিযোগ করা হচ্ছে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধেও। কোথাও রাজনৈতিক কর্মীদের খুন, কোথাও পার্টি অফিস জ্বালিয়ে দেওয়া, কোথাও রাজনৈতিক কর্মীদের বাড়িতে হামলার মতো অভিযোগ উঠছে। এবার সেই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

মঙ্গলবার টুইট করে সে কথা জানিয়েছেন জগদীপ ধনখড়। রাজ্যপাল জানিয়েছেন, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আগেই এই ইস্যুতে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। অন্যদিকে মঙ্গলবারে এই ইস্যুতে আলোচনা করতে ও ধর্নায় বসতে রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এরপরই খোদ প্রধানমন্ত্রীর ফোন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

রাজ্যপাল আরও জানিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীকে রাজ্যে অশান্তি, হিংসা লুটপাটের বর্ণনা দিয়েছেন । ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই কলকাতা সহ রাজের একাধিক জেলা থেকে রাজনৈতিক হিংসার খবর এসেছে। শুধু বিজেপি নয় অন্যান্য দলের কর্মীদের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সরব হয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। পুলিশ নিজের দায়িত্ব পালন না করার অভিযোগ তুলেছেন তারা।

https://twitter.com/jdhankhar1/status/1389496563916025857?s=08

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে সোমবার রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে তলব করেছিলেন রাজ্যপাল। এছাড়া সোমবার সন্ধ্যায় পদত্যাগপত্র জমা দিতে রাজ ভবনে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন মমতার সঙ্গেও অশান্তির ঘটনা নিয়ে তার কথা হয়েছে বলে টুইটে জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল।
কিন্তু পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে এবার রাজ্যপালকে ফোন করে খবর নিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এদিকে ৫ মে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শপথ বন্ধ রাখার আর্জি জানিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরই প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে টুইট করেছেন, তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন । তিনি লিখেছেন রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা অতিরঞ্জিত। তিনি লিখেছেন এইসব স্টান্ট বন্ধ করুন আর করোনা অতিমারী বিষয়ে ফোন করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *