আমাদের ভারত, ২১ মে:করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ে মৃত্যুর মিছিল অব্যাহত। স্বজন হারানোর হাহাকার দেশজুড়ে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীও দেশবাসীর এই যন্ত্রণায় সমব্যথী হওয়ার বার্তা দিলেন। এদিন তাকেও দেখা গেল আবেগপ্রবণ হতে। চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে না পড়লেও গলা ধরে এসেছিল মোদীর। যদিও নিজেকে তৎক্ষণাৎ সামলে নেন প্রধানমন্ত্রী।
মোদীর লোকসভা কেন্দ্র বারানসীর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী এবং করোনা যোদ্ধাদের সঙ্গে শুক্রবার ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। সেখানে করোনায় মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। বিজেপি তরফেও টুইট করে এই ঘটনা জানানো হয়েছে। দেখা যাচ্ছে মোদীর বক্তৃতার মাঝে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ছেন। মোদী বার্তা দেন, “করোনা ভাইরাস অনেক প্রিয়জনকে আমাদের থেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছে। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। আমি প্রিয়জন হারানোর পরিবারগুলোকে সমবেদনা জানাচ্ছি।
এর আগে গত ১৪মে মোদী তার বক্তৃতায় করোনায় মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছিলেন “করোনা ভাইরাসের জন্য আমরা বহু মানুষকে হারাচ্ছি। আজ নাগরিকের স্বজন হারানোর যন্ত্রণা অনুভব করছি আমিও।” শুক্রবার করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করা চিকিৎসক, চিকৎসাকর্মী তথা করোনা যোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানানমোদী।
করোনারি বিরুদ্ধে লড়াইয়ের চেষ্টার ত্রুটি রাখেনি কেউই, না সরকার না চিকিৎসকরা। তবু করোনার থাবায় বহু মানুষের প্রাণ চলে গিয়েছে।তাদের কথা বলতে গিয়েই এবার ভেঙে পড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গলাটা ধরে এসেছিল। তবে চোখে জল আসার আগে নিজেকে সামলে নিয়েছেন মোদী। অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই এখনো জারি রয়েছে। তাই ক্যাপ্টেন হিসেবে যোদ্ধাদের মন বলে আঘাত যাতে না লাগে সেই জন্যেই নিজেকে সামলে নিয়েছেন মোদী। ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে টিকাকরণকে গণ আন্দোলনে পরিণত করার ডাক দেন মোদী। একইসঙ্গে মনে করিয়ে দেয় এই লড়াইয়ে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। এখন থেকেই এই মারণ রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রস্তুতি নিতে হবে এবং সমস্ত রকম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করতে হবে।

