আমাদের ভারত, ৫ অক্টোবর: দুর্গাপুজোয় অংশগ্রহণ করে ভক্তিগীতি বাজিয়েছিলেন। সেই কারণেই তিন মহিলাকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। বিহারের গোপালগঞ্জের এই ঘটনায় বেশকিছু মুসলিম দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে হিন্দু মহিলাদের নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে।
একটি হনুমান মন্দিরের মধ্যে তিন মহিলাকে মারধর করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, গোল্ডেন আহমেদ, সাবরাতে এবং সাবিনা খাতুনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও আরও ১৫-২০ জন অজ্ঞাত পরিচয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। গুরুতর আহত ওই ৩ মহিলাকে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে হনুমান মন্দিরে সকাল-সন্ধে ভক্তিগীতি বাজানো হচ্ছিল। এর বিরোধীতা করে মুসলিম সম্প্রদায়ের বেশকিছু মানুষ। লাউড স্পিকার বন্ধ না করায় তারা তিন মহিলাকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। এই তিনজনই মারাত্মক আহত। আহত গুলাবি দেবী জানান, শুধু এই ঘটনাই নয়, হিন্দু মেয়েরা যখন ওই মন্দিরে পুজো দিতে যান তখন স্থানীয় মুসলিম ছেলেরা তাদের উত্যক্ত করে।
অন্যদিকে মধ্যপ্রদেশের করেন এলাকায় এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে এক মুসলিম যুবক এক হিন্দু তরুণীকে মারধর করেছে শুধুমাত্র দুর্গাপুজোতে অংশগ্রহণ করার কারণে। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই এলাকায় বছর ২০-র এক মহিলা পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তখন মইন নামে এক মুসলিম যুবক তার রাস্তা আটকে হুমকি দেয় পুজোর অনুষ্ঠানে সে যেন না যায়। কিন্তু হিন্দু সংগঠনের সাথে যুক্ত ওই যুবতী তার কথা না শোনায় তাকে মারধর করে ওই যুবক। স্থানীয় মানুষ মইনকে ধরার চেষ্টা করলেও সে পালিয়ে যায় পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

