আমাদের ভারত, ২৫ সেপ্টেম্বর:
বিজেপির প্রাক পুজো সম্মেলনে অংশগ্রহন করতে কলকাতায় এসেছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে একাধিক জায়গায় ঘুরে ঘুরে তাঁর প্রাক পুজো সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা। বালুরঘাটে সুকান্ত মজুমদারের পাড়ার পুজোতেও উদ্বোধন করার কথা মিঠুনের। কিন্তু বালুরঘাট শহরে অভিনেতার থাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। বিজেপি তরফে অভিযোগ তোলা হচ্ছে মিঠুনকে সার্কিট হাউসে থাকার জন্য অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। এমনকি মিঠুন বালুরঘাটে পৌঁছানোর আগেই সেখানে বিজেপির লাগানো পোস্টার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে শনিবার শিয়ালদায় রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এতে আমরা অভ্যস্ত, এটি নতুন কিছু নয়। মানুষ সময়মতো এর জবাব দেবে।” সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, “মিঠুনদা কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা নন। তিনি বাংলার সম্পদ। তিনি এত বড় সুপারস্টার হওয়ার পরও একটি প্রান্তিক জেলাতে যাওয়ার জন্য ট্রেনে জার্নি করছেন যা এখনকার দিনে কেউ ভাবতেই পারে না। এটি শুটিং নয় সত্যি কারের জন্যে করছেন। এই বয়সেও কষ্ট করেছেন প্রান্তিক মানুষদের সঙ্গে দেখা করবেন বলে। অথচ এর মধ্যে তাঁর প্রতি যে ধরনের আচরণ করা হচ্ছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও লজ্জাজনক। ”
মিঠুনের জেলা সফরের আগে বালুরঘাটের ফ্লেক্স ছেঁড়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বালুরঘাট শহরের প্রবেশদ্বারে ব্যাংক মোড় থেকে পাওয়ার হাউস পর্যন্ত রাস্তার মাঝে ডিভাইডারে পুরসভার ল্যাম্পপোস্টের লাগানো হয়েছিল মিঠুন চক্রবর্তী ও বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের ফ্লেক্স। জেলা বিজেপির তরফে এগুলো লাগানো হয়েছিল। অভিযোগ গতকাল থেকেই সেইগুলো খুলে ফেলার সবরকম চেষ্টা করে পুরসভা ও পুলিশ প্রশাসন।
বিষয়টি নজরে আসতেই বাধা দেয় বিজেপি। এরপর আজ সকালে দেখা যায় এলাকায় একাধিক ফ্লেক্স ছেঁড়া হয়েছে। বালুরঘাট থানার পুলিশ ঘটনা খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছে। তৃণমূলের তরফে অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে এই ঘটনা বিজেপির অন্দরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।

