BJP, Chandrakona, সংবিধানের ওপর বিশ্বাস না থাকা মানুষগুলো লোকতন্ত্রের রক্ষক নয়, এরা লুটতন্ত্রের রক্ষক: বিজয় সিনহা

কুমারেশ রায়, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২০ মার্চ: বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি রাজ্যজুড়ে পরিবর্তন যাত্রা-র ডাক দিয়েছিল, যা শুরু হয়েছিল ১ মার্চ। সেই যাত্রা আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার চন্দ্রকোনার শ্রীনগরে জনসভার মাধ্যমে শেষ হলো মঙ্গলবার অর্থাৎ ১০ মার্চ সন্ধ্যায়। এই পরিবর্তন যাত্রার কর্মসূচিতে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী বিজয় সিনহা, প্রাক্তন সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী, রাজ্যের যুব সভাপতি ডঃ ইন্দ্রনীল খান, শশী অগ্নিহত্রী সহ চন্দ্রকোনা বিধানসভা এলাকার বিজেপির বিভিন্ন নেতা ও কর্মীরা।

মঞ্চ থেকে এদিন বিজেপি নেতৃত্বরা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক নেতাদের কটাক্ষ করেন এবং সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে পরিবর্তনের ডাক দেন। তারা বলেন, বিজেপিকে ভোট দিলে সরকারি চাকরি ও নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে বিজেপি। বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো।

এদিন সভা মঞ্চ থেকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় কুমার সিনহা বলেন, “দীর্ঘ বিলম্বের পর আজ যেভাবে মানুষ পুরোপুরি একজোট হয়ে বসে আছে, এটা পুরো বাংলার ভাবকে তুলে ধরছে। বাংলা ভারতের সংস্কৃতি এবং সংস্কারকে বাড়ানোর সংকল্প নিয়ে ফেলেছে। যেসব অনুপ্রবেশকারীদের জন্য মানুষ বাংলাকে বদনাম করছে, সাংবিধানিক পদে বসে সাংবিধানিক মর্যাদাকে লঙ্ঘন করছে, এটা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা দিদির একদম অশোভনীয়। দেশের রাষ্ট্রপতির অপমান করা, নির্বাচন কমিশনকে কালো পতাকা দেখানো, সংবিধান এবং সাংবিধানিক পদের লোকের ওপর বিশ্বাস না থাকা- এই মানুষগুলো লোকতন্ত্রের রক্ষক নয়, এরা লুটতন্ত্রের রক্ষক। অনুপ্রবেশকারী, অপরাধী এবং দুর্নীতিবাজদের সংরক্ষক। এরকম মানুষ লোকতন্ত্রের হিতৈষী হতে পারে না এবং বাংলার সংস্কৃতি সংস্কারের ওপর আঘাত করা লোক জনকে বাংলার ভাই ও বোনেরা পুরোপুরি স্বামী বিবেকানন্দের সেই ভবিষ্যৎ বাণীকে সফল করবে। যে একবিংশ শতাব্দী ভারতের হবে, ভারত বিশ্বগুরু হবে, তার ধ্বজাবাহক বাংলা হবে এবং বাংলার জনতার সেই ধ্বজা পুরো দেশকে গর্বিত করবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *