স্বরূপ দত্ত, উত্তর দিনাজপুর, ২২ মে: টিন বাজানোকে কেন্দ্র করে বৌদিকে খুন করার অভিযোগ উঠলো দেওয়ের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় আহত আরো তিনজন। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াগঞ্জ থানার ভারত – বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া অনন্তপুর অঞ্চলের মধ্য গৌরিপুর গ্রামে। জানাগেছে, মৃত ওই গৃহবধুর নাম কমলা রায়(৫০)। এই ঘটনায় সুবোধ রায়ের বিরুদ্ধে কালিয়াগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মৃত কমলা রায়ের ভাই বিমল বর্মণ।
পরিবারসূত্রে জানা গিয়েছে, গৌরিপুর গ্রামের বাসিন্দা সুকুমার রায় ও সুবোধ রায়। এরা সম্পর্কে দুই ভাই। জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সুকুমার ও সুবোধের ঝামেলা চলছিল বলে অভিযোগ। পাখি তাড়ানোর জন্য গতকাল সুকুমার রায়ের বাড়ির উঠানে একটি লিচু গাছে ঝোলানো হয়েছিল টিন। দাদা সুকুমার রায় ওই টিনটি বাজাচ্ছিলেন। সেই সময় ভাই সুবোধ রায় সুকুমার রায়ের বাড়িতে এসে দাদাকে টিন বাজাতে না করেন। দাদা সুকুমারের সাথে সুবোধ কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়ে। তখন ভাই সুবোধ দাদা সুকুমারকে মারধর শুরু করে বলে অভিযোগ। স্বামীকে বাঁচাতে ছুটে আসেন স্ত্রী কমলা রায়। শুরু হয় দুপক্ষের মারামারি।
সুবোধ তখন কোদাল দিয়ে বৌদি কমলা রায়ের মাথায় আঘাত করলে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে যান। আহত অবস্থায় পটে থাকে দাদা সুকুমার ও ভাই সুবোধ। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

ছুটে আসছে স্থানীয় বাসিন্দারা। আহত অবস্থায় তড়িঘড়ি স্থানীয় বাসিন্দারা সুকুমার, সুবোধ ও কমলাদেবীকে প্রথমে কালিয়াগঞ্জ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। দুজনের অবস্থা অবনতি থাকায় চিকিৎসক তাদের রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। সেখানে কিছুক্ষন চিকিৎসা পর মৃত্যু হয় কমলা রায়ের। সুকুমার রায় ও সুবোধ রায়ের চিকিৎসা চলছে। এই ঘটনায় কমলাদেবীর ভাই বিমল বর্মন সুবোধ রায়ের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কালিয়াগঞ্জ থানায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

