সুশান্ত ঘোষ, উত্তর ২৪ পরগণা, ২৬ এপ্রিল: কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে মৃত্যু মিছিল অব্যাহত জেলায়।দৈনিক সংক্রমণ প্রায় সাড়ে তিন লক্ষের কাছাকাছি।এই পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে স্থলপথে সমস্ত
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ।
সোমবার থেকে আগামী ১৪ দিন পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে
সমস্ত সীমানা বন্ধ করার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পণ্যবাহী গাড়ির
যাতায়াত চলবে, জানিয়েছেন বাংলাদেশ শুল্ক দফতর।

এর আগে গত ১৪ এপ্রিল থেকে আকাশ পথেও
ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে বাংলাদেশ।
সোমবার সকাল থেকে পেট্রাপোল সীমান্তে
অভিবাসন দপ্তরের সামনে বাংলাদেশগামী যাত্রীদের লম্বালাইন দেখা যায়। এই যাত্রীরা ভারতের বিভিন্ন
জায়গা থেকে কেউ চিকিৎসা করাতে, কেউ ব্যাবসার কাজ মিটিয়ে এদিনপেট্রাপোল সীমান্তে এসে
পৌঁছালেও ভিসা থাকা সত্ত্বেওকোনও যাত্রীকেই বাংলাদেশেপ্রবেশের অনুমতি বা ছাড়পত্র দেননি বলে ক্ষোভ প্রকাশ
করেন বহু যাত্রী৷
বাংলাদেশের যাত্রী আশাদুল মন্ডল, বলেন চিকিৎসার প্রয়োজনে পনেরো দিনের ভিসা পেয়ে
ভারতে এসেছিলাম। আজই ভিসার শেষদিন
ছিল। দেশে ফিরতে পারলাম না।হাতে সামান্য যাতায়াতের
জন্য টাকা রয়েছে, কি করব বুঝতে পারছি না।

পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েল ফেয়ার
এ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন,
বাংলাদেশে লকডাউনের
জেরে, বাণিজ্য ভিত্তিক কোনও সমস্যা এখনও পর্যন্ত
হয়নি।তবে যাত্রী পরিবহন সম্পূর্ণ
ভাবে বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।তার জন্য সোমবার সকাল থেকে সীমান্তে অসংখ্য
বাংদেশের যাত্রীরা আটকে
পড়েছেন ভারতে। এটা সম্পূর্ণ ভাবে
বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত বলে জানতে পেরেছি অভিবাসন
সূত্রে। এর ফলে অনেক যাত্রীই
সমস্যায় পড়বে বলে ধারণা।

