বিজেপিতে মুকুলের উত্থানে কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও প্রদীপ জোশিকে দুষছেন দলের একাংশ

নীল বনিক, কলকাতা, ১১ জুন: দলে মুকুলের উত্থানে কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও প্রদীপ জোশিকে দুষছেন বিজেপির একাংশ। এর সঙ্গে দিল্লির কয়েকজন নেতার জন্যই মুকুল রায় বাড়তি গুরুত্ব পেয়েছেন বলে তাদের অভিযোগ। তাদের জন্যই আজ দলকে সবথেকে বেশি খেসারত দিতে হবে বলে মত রাজ্য বিজেপির বহু নেতার।

প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে মুকুল রায় বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। কৈলাস বিজয়বর্গীয়র মত নেতারা তাঁকে গুরুত্ব দিলেও প্রথম থেকেই গুরুত্ব দেননি তৎকালীন সংগঠন সম্পাদক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের মতো পোড়খাওয়া নেতা। দলের একাংশ বলছে, সংগঠন দেখার সময় সুব্রত চট্টোপাধ্যায় কখনোই মুকুল রায়কে বাড়তি গুরুত্ব দেননি। এমনকি তথ্য প্রমাণ সহ তিনি কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে অভিযোগও জানিয়েছিলেন।

কিন্তু দলে সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের সময় শেষ হতেই বাড়তি গুরুত্ব পেয়েছেন মুকুল রায়। সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হয়েছেন। মুকুল রায়ের নামে দিল্লিতে অভিযোগ জমা পড়লে তা খারিজ করতেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। এককথায় মুকুলের রাজনৈতিক মেন্টর হয়ে পড়েছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

কেশব ভবনে গিয়ে প্রদীপ জোশির সঙ্গে মুকুলের নিয়মিত যোগাযোগ নিয়েও অনেকেই সমালোচনা করছেন। বিজেপিতে মুকুল রায়ের বেশি গুরুত্ব পাওয়া নিয়ে এখন অনেকেই প্রদীপ জোশির সমালোচনা করছেন।

আজ তৃণমূলে মুকুল রায় যোগদান করার পর তাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, কোথায় গেলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, প্রদীপ জোশি? এবার তাঁরা কি বলবেন? অনেকেই আবার উদাহরণ টানছেন সিদ্ধার্থ নাথ সিংয়ের। মুকুল রায়ের বিজেপিতে যোগদান করা নিয়ে সেই সময় তিনিও বিরোধিতা করেছিলেন। রাজ্য বিজেপির একাংশ বলছেন, সিদ্ধার্থ নাথ সিংয়ের ডায়লগ আজ যেন সফল হল, ‘ভাগ মুকুল ভাগ’ ফের ভেগে গেল তৃণমূলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *