সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ২৫ ডিসেম্বর: সাপের উপদ্রবে ঘুম ছুটেছে বাঁকুড়ার গ্ৰামাঞ্চলে। আমন ধান কেটে বাড়িতে নিয়ে আসার জন্য গ্ৰামবাসীরা ব্যস্ত। কিন্তু শিয়ালচাঁদা নামে এক সাপের ভয়ে সন্ত্রস্ত তারা। একের পর এক গ্ৰামে এই সাপে দংশনের খবর আসছে। সাপের কামড়ে মৃত্যুও ঘটছে।
দিন কয়েক আগে তালডাংরা থানার ধোবাজোড় গ্ৰামের বাসিন্দা গোবর্ধন পাল নামক জনৈক চাষি ধান কাটার কাজ দেখতে নিজ জমিতে যাওয়ার সময় শিয়ালচাঁদা সাপে কামড়ায়। তাকে তৎক্ষণাৎ স্হানীয় হাসপাতালে ও পরে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু দিনকয়েক চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যায়। এর আগে প্রায় মাস তিনেক আগে ওন্দা থানার নিশ্চিন্তিপুর গ্ৰামের নন্দ মুখার্জিকে এই সাপে কামড়ায়। তাকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বেশকিছুদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। তিন মাস পর তার হঠাৎ শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।গ্ৰামবাসীদের বক্তব্য, সাপের কামড়ের কারণেই এই সমস্যা হয়েছে।
গ্রামবাসীরা বলছেন, এই সময় সাধারণত সাপ গর্তে চলে যায়, কিন্তু শিয়ালচাঁদা সাপ এই সময় আকছার দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। লম্বায় প্রায় তিন হাতের চেয়ে বেশি কোনও কোনও সাপ। তাদের মতে এই সাপকে মেরে ফেলার পরেও সাপের পেটে বাচ্চা থাকলে তা জীবিত থেকে যায়। যার ফলে সাপের বংশবৃদ্ধি ঘটছে দ্রুত। এবং তা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে।

