আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ৭ এপ্রিল: সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। আর তার আগে উন্নয়নকে হাতিয়ার করে গ্রামের মানুষের কাছে পৌঁছতে চাইছে রাজ্য সরকার। শুক্রবার জলপাইগুড়িতে গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গ্রামের উন্নয়নের কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার।
এদিন জেলাশাসকের দফতরে জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা ও প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে একটানা কয়েক ঘণ্টা বৈঠক করলেন মন্ত্রী। পথসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের তহবিল থেকে প্রায় ১২ হাজার ৬০ কিমি রাস্তা করা হচ্ছে ৩ হাজার ৬ ৮৫ হাজার টাকা খরচ করে। এ দিনের বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক বঞ্চনা নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্য থেকে রাজস্বের আপনার আমার টাকা নিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্র সরকার কিন্তু এরপরেও একাধিক প্রকল্পের টাকা দিচ্ছে না। একশো দিনের টাকা আটকে রাখা হয়েছে। কেন্দ্রের দল এসে একশো দিনের কাজ খতিয়ে দেখে বলে যাচ্ছে কোনো দুর্নীতি হয়নি। আবার সেই কেন্দ্রের আরও একটি দশ সদস্যের দল আসছে এটা কি ছেলে খেলা নাকি? রাজ্য সরকার একাধিক প্রকল্পে দেশের সেরা হয়েছে। অন্যদিকে মহারাষ্টে ১ কোটি ৫৮ লক্ষ মানুষের আধার ও প্যান কার্ড সংযুক্ত নেই, তারপরেও সেখানে টাকা পাচ্ছেন তারা। আমাদের রাজ্যে ৯৬.৭ শতাংশ মানুষ বঞ্চিত। ২০২১ সালে মানুষ জবাব দিয়েছে, আবার ভোট আসছে জবাব পেয়ে যাবে।”

এদিকে জলপাইগুড়ির বিজেপির জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী বলেন, “কেন্দ্র থেকে পাঠানো ঘরের টাকা, শৌচাগারের টাকা, একশো দিনের টাকা লুট করছে তৃণমূলের নেতারা। মোদীজি টাকা দিচ্ছে লুট করবে হাওয়াই চটির দিদিভাই এটা দীর্ঘদিন হতে পারে না। হিসেব দাও টাকা নাও। একশো দিনের টাকা বন্ধ হতে তৃণমূলের গ্রাম স্তর ও ব্লকের স্তরের নেতাদের সন্ধেয় আসর বন্ধ হয়ে গিয়েছে। নিয়ম মেনে ভোট হলে তৃণমূলকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। ভুয়ো জব কার্ড বাতিল হচ্ছে। এখন মন্ত্রী লোক দেখাতে আসছে।”

