পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ১২ জুলাই: হিলির স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে বিজেপি যুব নেতার গ্রেপ্তারিতে অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির। চাপে পড়ে কোর কমিটির জরুরি বৈঠক ডেকে সাসপেন্ড করা হল যুব মণ্ডল সভাপতি সুব্রত মালিকে।
সোমবার বালুরঘাটে জেলা বিজেপি কার্যালয়ে এক সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই কথা জানালেন জেলা সভাপতি বিনয় বর্মন। তিনি বলেন, নির্বাচন পরবর্তীতে দল থেকে বিচ্যুত হয়ে গিয়েছিলেন ওই যুব নেতা। আর তার কারণে রবিবারই নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ওই নেতাকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। যদিও এমন ঘটনা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তারা বলেন, বিজেপি দলটা যে দুষ্কৃতিদের দ্বারাই পরিচালিত হয় হিলির তিওড়ের ঘটনা তারই যেন জ্বলন্ত উদাহরণ। খোদ দলের একজন একনিষ্ঠ কর্মীর এমন কর্মকান্ডে যথেষ্টই আলোড়ন পড়েছে গোটা জেলাজুড়ে। ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্য নিয়ে ব্যবসায়ীকে এমন খুনের ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে বিজেপির ওই যুব নেতার নাম ওঠায় দলের মধ্যেই অস্বস্তিতে পড়েছে নেতৃত্বদের একাংশ। নেতৃত্ব বাছাই পদ্ধতি নিয়েও কর্মীদের কড়া সমালোচনার মুখেও পড়েছেন বিজেপি নেতৃত্বরা।

হিলি ব্লকের তৃণমূল যুব সভাপতি সুদীপ মহন্ত বলেন, মানুষ বিজেপিকে এই কারণেই প্রত্যাখ্যান করেছে। দুষ্কৃতীদের নিয়ে সমাজে চলা যায় না।
বিজেপি সভাপতি বিনয় বর্মন বলেন, দলের কাজে যুক্ত না থাকায় অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

