জে মাহাতো, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ৩১ মার্চ: মেদিনীপুর শহরের স্বনামধন্য নৃত্য প্রশিক্ষণ সংস্থা নৃত্য নীড়ের দশম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে মেদিনীপুর শহরের প্রদ্যোৎ স্মৃতি সদনে অনুষ্ঠিত হল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পদধ্বনি। পাশাপাশি নৃত্যনীড় ও নিসর্গ নির্যাসের যৌথ প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠিত হল তৃতীয় বর্ষের বসন্ত উৎসব “রঙ পলাশ”। আয়োজকদের পক্ষে সবাইকে স্বাগত জানান, নৃত্য প্রশিক্ষিকা রিমা কর্মকার ও তরুণ কবি নিসর্গ নির্যাস মাহাতো। রানী শিরোমণির আর্কাইভ প্রতিকৃতির সামনে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।পদধ্বনি সম্মান প্রদান করা হয় পশুপ্রেমী সমাজকর্মী শিবু রানাকে।

উপস্থিত ছিলে সঙ্গীত গুরু শিল্পী জয়ন্ত সাহা, পুরপ্রধান সৌমেন খান, সমাজ কর্মী লেখিকা রোশোনারা খান, সমাজসেবী আইনজীবী তীর্থঙ্কর ভকত, সমাজকর্মী মুনমুন চক্রবর্তী, সঙ্গীত শিল্পী রথীন দাস, বাচিক শিল্পী অমিয় পাল, মালবিকা পাল, অজন্তা রায়, মৃদুলা ভুঁইঞা, নৃত্যশিল্পী রাজনারায়ণ দত্ত, শ্রাবণী দত্ত, নবনীতা বোস, সময় বাংলার কর্ণধার জয়ন্ত মন্ডল, সঙ্গীত শিল্পী শাওন সিংহ, সাইক্লিস্ট নবনীতা মিশ্র, কবি সিদ্ধার্থ সাঁতরা, চিত্রশিল্পী প্রদীপ বসু, বাচিক শিল্পী গৌরী প্রতিহার, সমাজসেবী রুমা মন্ডল, সমাজকর্মী শিক্ষক সুদীপ কুমার খাঁড়া, চিত্রপরিচালক বিশ্বজিৎ ঘোষ, রাকিবুল হাসান, অভিনেতা নিশীথ দাস-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট জনেরা। ছিলেন মেদিনীপুর ডান্সার্স ফোরাম, প্যামের প্রতিনিধিরা।

রিমা কর্মকারের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন নৃতশৈলীর সংমিশ্রণে মনোজ্ঞ নৃত্যানুষ্ঠান পরিবেশন করেন নৃত্যনীড়ের শিক্ষার্থীররা। ভাষ্য পাঠ করেন অভিনন্দন মুখোপাধ্যায়, সুমন্ত সাহা, মেখলা মাইতি। নিজের সুললিত কন্ঠে অনুষ্ঠান সুচারু ভাবে সঞ্চালনা করেন অর্ণব বেরা এবং তাঁকে সহযোগিতা করেন মানস কর্মকার।

