আমাদের ভারত, ২২ এপ্রিল;করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে একরকম বিপর্যস্ত ভারত। দেশজুড়ে অক্সিজেনের ব্যাপক ঘাটতি। চারদিকে হাহাকার পড়ে গিয়েছে। হাসপাতাল গুলোতে হিমশিম পরিস্থিতি অক্সিজেন যোগানে। এই অবস্থায় কেন্দ্র ভর্ৎসনা করেছে দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ মন্তব্য করেছে, প্রয়োজনে ভিক্ষা, ধার করে হলেও অক্সিজেন জোগাড় করুক কেন্দ্র। এটা জাতীয় বিপর্যয়। এখানে জড়িয়ে রয়েছে বহু মানুষের জীবনের প্রশ্ন। এরপরই চিকিৎসা জনিত কারণে অক্সিজেনের দ্রুত ও মসৃণ পরিবহন নিশ্চিত করতে কেন্দ্র ৭ নির্দেশিকা জারি করেছে।
ওই ৭ নির্দেশিকাগুলি হলো
চিকিৎসা জনিত কারণে ব্যবহৃত অক্সিজেন সরবরাহের ক্ষেত্রে রাজ্য এবং পরিবহন সংস্থার মধ্যে কোন বিধি-নিষেধ আরোপ করা যাবে না।
অক্সিজেন পরিবাহী যানবাহনগুলোকে নিখরচায় আন্তরাষ্ট্রীয় যাতায়াতের অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।
রাজ্য কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেনের যোগান দেওয়ার জন্য অক্সিজেন প্রস্তুতকারক সংস্থা ও সরবরাহকারীদের মধ্যে কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকবে না।
শহরের মধ্যে অক্সিজেন পরিবাহী যানবাহনগুলো চলাচলের ক্ষেত্রেকোন সময় সীমা থাকবে না।
কোন বাধা ছাড়াই আন্তঃনগর সরবরাহ সক্ষম করতে হবে।
কোন কর্তৃপক্ষ, কোন জেলা বা অঞ্চল বিশেষে নির্দিষ্ট অক্সিজেন সরবরাহের জন্য অক্সিজেন পরিবাহী যানবহন সংযুক্ত করবে না।
বাণিজ্যিক কারণে ব্যবহৃত অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ থাকবে। পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত তা কার্যকর হবে।
রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কঠোরভাবে ইজি ইলেভেন দ্বারা প্রস্তুত অক্সিজেন সময় সময় সংশোধিত করতে হবে।
জেলাশাসক, ডেপুটি কমিশনার ও পুলিশের এসপি, পুলিশের ডিসিকে ব্যক্তিগতভাবে দায়বদ্ধ থাকবে এই নির্দেশিকা কার্যকরের জন্য।

