আমাদের ভারত, উত্তর দিনাজপুর, ১৬ ডিসেম্বর:
প্রকৃতিতে শীত কাল চলে এসেছে। এই সময়ে অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি পিঠে-পুলি খাওয়ার হিড়িক পড়ে যায় ঘরে ঘরে। শীতের সকালে কুয়াশার চাদরে মোড়া গ্রাম থেকে শহর -সর্বত্রই ভাপা পিঠের চাহিদা বেড়ে যায়৷ চালের গুঁড়ো আর গুড় দিয়ে তৈরী এই পিঠের স্বাদ নিতে রায়গঞ্জের বিভিন্ন বাজারে ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ।
শীতকাল মানেই বাজারজুড়ে রকমারি শাক, সবজির আবির্ভাব, রকমারি পদের রান্না, পিকনিক, হৈচৈ আরও অনেক কিছু। এই সময়টা পিঠেপুলিরও বটে। আগেকার দিনে বাড়ির মা-ঠাকুমারা চালের গুড়ো, নারকেল, গুড় দিয়ে রকমারি পিঠে বানালেও আধুনিক যুগে ঘরে ঘরে সেই প্রবণতা অনেকটাই কমে গিয়েছে। তার বদলে বিভিন্ন বাজারে শীতকালে বসছে অস্থায়ী পিঠের দোকান। বিশেষ করে ভাপা পিঠের জনপ্রিয়তা এই সময় আকাশছোঁয়া। মাটির হাঁড়িতে ফুটতে থাকা গরম জলের ভাপে তৈরী হয় চালের এই পিঠা। পিঠের নরম শরীরে লুকিয়ে থাকে গুড়ের আস্তরণ। শীতের কুয়াশা ভেজা সকালে এই পিঠের সন্ধানেই রায়গঞ্জের বিভিন্ন বাজারে ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ।

শীতকাল তাই জেলাজুড়ে কদর বাড়ছে ভাপা পিঠের। ভাপা পিঠের স্বাদ আর অন্যদিকে চুলার আগুন আর জলীয় বাষ্পের উত্তাপ যেন চাঙ্গা করে দেয় দেহমন। অনেকেই পিঠের দোকানে চুলার পাশে বসেই খেয়ে নিচ্ছেন গরম গরম পিঠা।
প্রসঙ্গত, চালের গুঁড়োর সাথে আটা বা ময়দা মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ভাপা পিঠের মতো দেশী জাতের পিঠে। মাটির চুলায় খড়ি অথবা জ্বালানি গ্যাস পুড়িয়ে সন্ধে থেকে গভীর রাত পযর্ন্ত পিঠে তৈরি ও বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। সব মিলিয়ে ভাপা পিঠের নেশায় মন মজেছে সাধারণ মানুষের।

