“দেশ বিরোধিতা অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের”, অভিযোগ অগ্নিমিত্রার

আমাদের ভারত, ৯ জুলাই: “যে কোনও ইস্যুতে দেশের বিরোধিতা করা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। মমতা ও তৃণমূল বিজেপি বিরোধিতা করতে গিয়ে দেশের বিরুদ্ধে চলে যাচ্ছে।” শনিবার এই অভিযোগ করলেন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল।

শনিবার অগ্নিমিত্রা টুইটারে লেখেন, “যেমন তৃণমূল মুখপত্রের খবর শিনজো আবের মৃত্যুর সঙ্গে অগ্নিপথ প্রকল্পকে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। শিনজো আবের আততায়ী ২০০৫ পর্যন্ত : মেরিটাইম সেল্ফ – ডিফেন্স ফোর্সের সদস্য ছিলেন। নিজেই চাকরি ছেড়েছিলেন। এর পরেও বহু চাকরি করেছেন। এখনও খুনের কারণ জানা যায়নি। অথচ তৃণমূল একে অগ্নিপথ প্রকল্পের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছে।

এই প্রথমবার নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাটলা হাউসে জঙ্গি খতম হয়ে যাওয়ার পরে প্রশ্ন তুলেছিলেন। ২০০৮ সালে পুরুলিয়ার সভায় বাটলা হাউসের ঘটনা মিথ্যে প্রমাণিত হলে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। বাটলা হাউস ঘটনার প্রধান চক্রী আরিজ খান দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। মমতা রাজনীতি ছাড়েননি।

একইভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলওয়ামার আধাসামরিক জওয়ানদের মৃত্যুর সময় প্রশ্ন তুলেছিলেন। বলেছিলেন, ঠিক ভোটের আগে কেন এই জঙ্গিহানা? তিনি প্রমাণ চেয়েছিলেন সার্জিকাল স্ট্রাইকের। সেনা বাহিনীর বলার উপর ভরসা নেই। ওনার না আছে রাজ্যের চিন্তা, না দেশের চিন্তা। দেশ গড়ার চেষ্টা তো দূরস্থান। সকাল থেকে চিন্তা রাজনৈতিক লাভ-ক্ষতির।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য একটা তথ্য দিই। সংখ্যাটা হচ্ছে সাত লাখ ঊনপঞ্চাশ হাজার আটশো নিরানব্বই। হ্যাঁ ঠিকই দেখছেন, সংখ্যাটা ৭,৪৯,৮৯৯। চমকে দেওয়ার মতো সংখ্যা। এই সংখ্যার যুবকরা অগ্নিপথ প্রকল্পে বায়ু সেনায় যোগ দিতে চেয়ে আবেদন করেছেন। ২৪ জুন থেকে শুরু করে ৫ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করার করার সময়সীমা ছিল বায়ুসেনায়। বায়ুসেনায় যোগ দিতে চেয়ে রেকর্ড সংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। অতীতে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল ছয় লাখের বেশি। অর্থাৎ এবারের আবেদন সব রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *