সুশান্ত ঘোষ, বনগাঁ, ২ জুন: মবিপুরে ধসের জেরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮১। জোরকদমে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। সেনা ও রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। মণিপুরে ধসে নিহতদের মধ্যে রয়েছেন বনগাঁর এক যুবক। তিনি সন্তু বন্দ্যোপাধ্যায়। ভারতীয় সেনায় কর্মরত ছিলেন। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থানার ব্যারাকপুর এলাকার বাসিন্দা।
পরিবার সূত্রের খবর, সন্তু আর্মির ১১ জার্সি ১০৭ ব্যাটালিয়নের কর্মরত ছিলেন। ৬ মাস আগে মণিপুরের টুপুলে তাঁর পোস্টিং হয়। এপ্রিল মাসে সন্তু শেষ বারের জন্য বাড়িতে এসেছিলেন। গত ১৫ বছর ধরে আর্মিতে কর্মরত ছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী বলেন, বুধবার সন্তুর সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল। শনিবার সকালে তাঁর স্ত্রীর কাছে ফোন আসে সন্তু আর নেই।

সন্তুর মৃত্যু সংবাদ শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সন্তু খুব ভালো ছিল। বাড়িতে এলে সকলের সঙ্গে খুব ভালো ব্যবহার করত। ছোটবেলা থেকেই আর্মিতে কাজ করার ইচ্ছা ছিল সন্তুর।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, গত বৃহস্পতিবার মণিপুরের টুপুল রেল স্টেশনের কাছে ধস নামে। ধসের জেরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮১। সেখানেই ১০৭ টেরিটোরিয়াল আর্মির ক্যাম্প ছিল। যাঁদের মধ্যে ১৮ জন টেরিটোরিয়াল আর্মির জওয়ান। প্রায় ৫৫ জন এখনও ধ্বংসস্তূপে আটকে রয়েছেন। মৃতদেহগুলি উদ্ধার করতে আরও দু’তিন দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছে মণিপুরে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।

