ঝাড়গ্রামে তৃণমূল–বিজেপি সংঘর্ষে মৃত্যু হল এক তৃণমূল কর্মীর

অমরজিৎ দে, ঝাড়গ্রাম, ২২মার্চ:
বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই যেন রাজনৈতিক হিংসা বাড়ছে। রবিবার সন্ধ্যায় ঝাড়গ্রামের নেতুরা বাসস্ট্যান্ডের কাছে তৃণমুল-বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত তৃণমূল কর্মীর নাম দুর্গা সোরেন, বয়স ৫০ বছর। তিনি ঝাড়গ্রামের ১৩ নম্বর আগুইবনী গ্রামপঞ্চায়েতের তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির সদস্য ছিলেন। ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নেতুরা বাস স্ট্যান্ডে তৃণমূল– বিজেপি দুপক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। আচমকাই তা সংঘর্ষের চেহারা নেয়। দু’পক্ষই একে আপরকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়তে থাকে। এলাকায় রীতিমতো আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর দেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে দু’পক্ষের লোকজন পালিয়ে যায়। ঘটনার বেশ খানিকক্ষণ বাদে রাস্তার পাশের এক জমি থেকে তৃণমূল কর্মী দুর্গা সোরেনের দেহ উদ্ধার হয়। ঝাড়গ্রামে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকি‍ৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূলের সভাপতি দুলাল মুর্মুর দাবি, ‘সংঘর্ষের কোনও ঘটনা ঘটেনি। বিজেপি দুষ্কৃতীরা পরিকল্পিতভাবে ঘিরে ধরে খুন করেছে দুর্গা সোরেনকে।বিজেপির পায়ের তলা থেকে মাটি সরছে বুঝতে পেরেই এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতে সন্ত্রাস চালাচ্ছে বিজেপি দুষ্কৃতীরা।’ তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব তাদের দাবি মানিক সাউ নামে তাদের এক বিজেপি কর্মীও গুরুতর জখম হয়ে বর্তমানে ঝাড়গ্রাম জেলা সুপার স্পেশালিট হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এই ঘটনার পরেই ঝাড়গ্রাম হাসপাতাল চত্ত্বরে ও নেতুরায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়ন রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *