জে মাহাতো, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ১১ ডিসেম্বর: অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলায় চুয়াড় বিদ্রোহের অন্যতম নেত্রী রানী শিরোমনিকে সেভাবে কেউ স্বীকৃতি দেননি। সেই কাজ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মেদিনীপুরের হারিয়ে যাওয়া সংগ্রামকে জাগিয়ে তোলার কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী মানস ভুঁইঞা।
শনিবার কর্ণগড়ে কটেজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মানস ভুঁইয়া ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী শিউলি সাহা, বিধায়ক দীনেন রায়, অজিত মাইতি, জেলা শাসক রশ্মি কোমল, পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার ও অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা। রাজ্য পর্যটন দফতর মেদিনীপুর শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কর্ণগড়কে ঐতিহাসিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর সেখানে তৈরি হয়েছে একাধিক কটেজ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যায়নের মাঝখানে কংক্রিটের পাশাপাশি বাঁশ ও খড়েরও কটেজ তৈরি হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেখানকার গ্রাম্য পরিবেশে প্রায় দেড় কিলোমিটার বর্গক্ষেত্র জুড়ে তৈরি হয়েছে পার্ক।
ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে, ওই ভূমি থেকেই তৎকালীন রানী শিরোমণির নেতৃত্বে চুয়াড় বিদ্রোহের সূচনা হয়েছিল। সেখানে আছে মহামায়ার একটি প্রাচীন মন্দির। মন্দির পর্যন্ত মানুষজনের আনাগোনা থাকলেও তারই অদূরে পারাং খালের ওপারে প্রায় একশো একর জমির উপর বহু স্মৃতি বিজড়িত এই গড়টি ছিল চুড়ান্ত অবহেলিত।
এদিন জেলাশাসক রশমি কমল বলেন, প্রায় দুকোটি টাকা ব্যায়ে কর্ণগড় পর্যটন কেন্দ্রের উন্নতি করা হয়েছে। আগামী দিনে খেলার মাঠ সহ আধুনিকীকরণের আরও কাজ হবে। এর ফলে পরিবর্তন আসবে গ্রামীন অর্থনীতিতে।

