সাথী দাস, পুরুলিয়া, ১৯ নভেম্বর: পুঞ্চার পর এবার পুরুলিয়া ১ নম্বর ব্লকের রানিপুর গ্রামে কন্দ খেয়ে মৃত্যু হল একজনের। গুরুতর অসুস্থ হন চার জন। তাঁদের পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো সদর হাসপাতাল ও গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় প্রশাসনিক কর্তারা।
পুরুলিয়া ১ নম্বর ব্লকের রানীপুর গ্রাম। এই গ্রামে ৭০টি আদিবাসী পরিবারের বাস। মূলত চাষবাস এদের জীবিকা। গতকাল রাতে পুঞ্চা ব্লকের বড়োগোড়া গ্রামে আত্মীয়র বাড়ি থেকে ঐ বিষাক্ত ফল এনে রান্না করে খায়। তার পরেই বীরসিংহ সোরেন সহ বাড়ির আরও ৪ জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে চাকোলতোর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই বীরসিংহ সোরেন (৭৫) বছর বয়সী বৃদ্ধকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। বাকি বাড়ির ৪ জনকে পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো সদর হাসপাতাল ও পুরুলিয়া গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়।

খবর পেয়েই সকালেই টামনা থানার পুলিশ ও পুরুলিয়া ১ নম্বর ব্লকের ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অনিরুদ্ধ ঘোষ গ্রামে যান। অবশিষ্ট রান্না করা খাবার ও জঙ্গল থেকে নিয়ে আসা ওই কন্দ পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। মৃতের পরিবারের হাতে সরকারি আর্থিক সাহায্যে ও
জিআরের চালের স্লিপ তুলে দেন প্রশাসনিক কর্তারা।
চলতি বছরের ২৭ অক্টোবর পুঞ্চা থানার নির্ভয়পুর গ্রামে বুনো ফল খাওয়ার পর এক শবর পরিবারের প্রবীণ সদস্যের মৃত্যু হয়। ৬২ বছর বয়সী ওই প্রবীনের নাম জলধর শবর। বার বার এই জঙ্গলের বিষাক্ত ফল খেয়ে অসুস্থ এবং মৃতুর ঘটনায় অসচেতনতাই দায়ী বলে মনে করেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

