আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর, ১ জুলাই: দীর্ঘ ২ বছর পর আজ ফের মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হল রথ যাত্রা উৎসব। সারা দেশের পাশাপাশি আমাদের রাজ্যেও পালিত হচ্ছে রথযাত্রা উৎসব।
পশ্চিমবঙ্গের প্রথম ও সর্ববৃহৎ বেলঘরিয়ার রথতলা জগন্নাথ দেবের মন্দির কমিটির রথযাত্রা অন্যতম নজর কাড়া হয়ে উঠেছে। পুরীর আদলে তৈরী হয়েছে এই রথটি। বেলঘরিয়া রথ তলা জগন্নাথ মন্দির কমিটির উদ্যোগে তৈরী জগন্নাথ দেবের রথটি ১৬ চাকা বিশিষ্ট ৩০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট। বলরাম দেবের রথটি ১৪ চাকা বিশিষ্ট ২৮ ফুটের। আর সুভদ্রার রথ টি ৩৭ ফুটের তৈরী করা হয়েছে। এই রথ পথে নামার আগে ভিড় সামাল দিতে উদ্যোক্তারা বারবার পৌরসভা ও পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কারণ দীর্ঘ ২ বছর বাদে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে বিপুল সংখ্যক ভক্তের সমাগম হবে বলে অনুমান করেছিলেন উদ্যোক্তারা। আজ ঠিক সেটাই হল। সকাল থেকেই ভক্তরা দলে দলে যোগ দিতে শুরু করেন। সকাল থেকেই পুজো হয় জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার।

এদিন যত বেলা গড়িয়েছে ততই বিভিন্ন সময়ে এসেছে রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী, বিধায়করা। এদিন এই রথ দর্শনে আসেন কামারহাটির পৌরপ্রধান গোপাল সাহা ও পানিহাটির বিধায়ক তথা রাজ্যের মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ। সেই সঙ্গে আসেন বিধায়ক মদন মিত্র, সাংসদ অর্জুন সিং সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
এদিন মদন মিত্র বলেন, “এই রথ এক অদ্ভুত পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। পুরীর রথের মত সুন্দর করে বানানো হয়েছে রথটি’কে। আগামী দিনে এই বেলঘরিয়ার রথটি মাহেশের রথের মতই আরো বিখ্যাত হয়ে উঠবে। এই রথ যাতে ভালো ভাবে সম্পন্ন হয় তার জন্য সব ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১ হাজারের বেশি সেচ্ছাসেবক রাখা হয়েছে এখানে। আমি প্রার্থনা করি এই দেশে যে অপদেবতা ভর করেছে অর্থাৎ বিজেপি যে ভর করেছে সেটার যেনো অবসান ঘটে।”

