আশিস মণ্ডল, আমাদের ভারত, বীরভূম, ২৪ জানুয়ারি: পুরনো বিবাদের জেরে দুই গ্রামের সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়ালো রামপুরহাট বাস স্ট্যান্ডে। সংঘর্ষে দু’জন জখম হয়েছে। ভাঙ্গচুর করা হয়েছে পাঁচটি দোকান। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাস স্ট্যান্ডে রাজত্ব করতেই বার বার বগটুই গ্রামের কিছু লোক বাস স্ট্যান্ডে সন্ত্রাস চালাচ্ছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার বেলার দিকে রামপুরহাট বাস স্ট্যান্ডে। এদিন সকালে প্রথমে বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে একটি চায়ের গুমটি ভাঙ্গচুর করে দুষ্কৃতীরা। এরপর বাস স্ট্যান্ডের ভিতরে গিয়ে দুটো মিষ্টি একটি ফল এবং জুতোর দোকান ভাগচুর করে। খবর পেয়ে রামপুরহাট থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মিষ্টির দোকানের মালিক সনারুল শেখ বলেন, “বগটুইয়ের কিছু ছেলে এসে হঠাৎ লাঠি, বাঁশ দিয়ে আমাদের মারধর শুরু করে। ভাঙ্গচুর করে দোকান। মাঝে মধ্যেই বগটুই গ্রামে কিছু ছেলে এসে বাস স্ট্যান্ডে সন্ত্রাস চালায়”।

আরেক ব্যবসায়ী নেকলাল শেখ বলেন, “ঘটনার পরেই আমরা সমস্ত দোকানপাট বন্ধ করে দিয়েছি। কারণ হঠাৎ হঠাৎ করেই বগটুই গ্রামের ছেলেরা মারধর, ভাঙ্গচুর করে যায়। পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয় না। দিন কয়েক আগে ওরা চামড়ার গুদামের একটা ছেলেকে মারধর করে। নির্দিষ্ট কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। কিন্তু পুলিশ এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি। কারণ এই অত্যাচারের সঙ্গে বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু শেখের ইন্ধন রয়েছে। তাই পুলিশ কাউকে ধরছে না। আমরা পুলিশের উপর আস্থা রাখতে পারছি না”।
ভাদু শেখ বলেন, “মঙ্গলবার আমাদের এখানে ক্রিকেট খেলা রয়েছে। সেই নিয়ে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। সেই সময় আমাদের গ্রামের একটা বাচ্চা ছেলে বাস স্ট্যান্ডে মুড়ি আনতে গিয়েছিল। সেই সময় চামড়ার গুদামের কিছু লোক বাচ্চা ছেলেটাকে মারধর করে। এরপর ওরাই দোকান ভাঙ্গচুর করে আমাদের উপর মিথ্যা অভিযোগ করছে”।

