স্বরূপ দত্ত, উত্তর দিনাজপুর, ৭ ফেব্রুয়ারি: টিকিট না পেয়ে বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর এবং এক শ্রমিক নেতা। টিকিট না পেয়ে একজ নিজের মেয়েকেই নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করাচ্ছেন। অন্যজন তাঁর স্ত্রীকে দাঁড় করালেন। দুজনেই মনোনয়ন পত্র জমা দিতে মহকুমা শাসক দপ্তরে আসেন। ঘটনা উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর পুরসভার।
সত্যেন দাস ইসলামপুর পৌরসভা ১২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর। এবারের পৌর নির্বাচনে প্রার্থী তালিকায় তাঁর পরিবারের কারো নাম না থাকায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাই তাঁর মেয়ে শ্রেয়সী দাসকে নির্দল প্রার্থী করেছেন এবং আজ মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে পদযাত্রা করে মনোয়নপত্র জমা দিতে উপস্থিত হন মহকুমা শাসক দপ্তরে।
সত্যেন দাস বলেন, তৃণমূল দলের কাছে যেহেতু তার ওয়ার্ডটি মহিলা সংরক্ষিত হয়েছে তাই তার মেয়ে অথবা তার বৌদি যাতে টিকিট পায় তার আবেদন কিরেছিলেন। কিন্তু প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর দেখেন তাদের পরিবারের কাউকে প্রার্থী করা হয়নি। কেন তাদের পরিবারের লোককে টিকিট দিলো না তা তিনি বুঝতেই পারছেন না। তাই ওয়ার্ডের লোকেরা তার সাথে দেখা করলে ওয়ার্ডবাসীদের ইচ্ছেতে তার মেয়েকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।
নির্দল প্রার্থী শ্রেয়সী দাস বলেন, তার বাবা ওয়ার্ডে অনেক কাজ করেছেন। এবারে পৌর নির্বাচনে তিনি নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। জেতার ব্যাপারে সম্পুর্ন আশাবাদী তিনি।
অন্যদিকে বিক্ষুব্ধ ডালখোলা তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা নাজির হুসেন। টিকিট না পেয়ে ১২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে তার স্ত্রী তাহাশানা খাতুনের মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন ইসলামপুর মহকুমা শাসক দপ্তরে। তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পরেই ডালখোলা ১২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী বদলের দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল তৃণমূলের একাংশ। কিন্তু টিকিট বদল না হওয়ায় নির্দল থেকে তার স্ত্রী তাহাশানা খাতুনকে লড়াইয়ের ময়দানে নামিয়ে দিলেন শ্রমিক সংগঠনের নেতা নাজির হুসেন এবং জেতার পর আবার তৃণমূলে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন নাজির হুসেন।

