পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ৫ এপ্রিল: ডিজের তালে নাচের মধ্য দিয়েই নমিনেশন পর্ব জমে উঠল বালুরঘাটে। টুম্পা সোনা ও টুনির মা গানের তালে কোমর নেচে উঠল বাম নেতাদের। পিছিয়ে থাকলো না তৃণমূল ও। সপ্তাহের প্রথম দিনেই খেলা হবে স্লোগানের গানে ভরে উঠলো শহরের ব্যস্ততম রাস্তা। শাসক দল তৃণমূল সহ বামফ্রন্ট ও সংযুক্ত মোর্চার সমস্ত প্রার্থীরাই এদিন নমিনেশন জমা দেন দক্ষিণ দিনাজপুরে। এদিন সকাল ১১.৩০টা থেকে শহরের দিশারি মাঠ থেকে শুরু হয় তৃণমূলের সুসজ্জিত মিছিল। যার প্রথমভাগে থেকে সাধারণ মানুষকে হাত নাড়িয়ে ও হাত জোড় করে তৃণমূলের তিন প্রার্থীই এদিন বালুরঘাটে তাদের নমিনেশন জমা করেন। করোনার জন্য এদিন মিছিলে হাজির না হলেও সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে নিজের মনোনয়ন জমা করিয়েছেন তপনের তৃণমূল প্রার্থী কল্পনা কিস্কুও।
বামেদের তরফে গঙ্গারামপুর বিধানসভার প্রার্থী নন্দলাল হাজরা, তপনের রঘু ওরাও, বালুরঘাট আসনের জন্য সুচেতা বিশ্বাস এবং সংযুক্ত মোর্চার তরফে কুমারগঞ্জ আসন থেকে প্রার্থী হিসাবে নমিনেশন জমা দেন নার্গিস বানু চৌধুরী। এদিন দুটি রাজনৈতিক দলের তরফেই শহর জুড়ে বিশাল র্যালি করা হয়। ডিজের তালে কোমর দুলিয়ে টুম্পা সোনা, খেলা হবে, টুনির মা গানের ছন্দে একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কায়দায় শক্তি প্রদর্শন করেছেন।

বাম প্রার্থী সুচেতা বিশ্বাস ও নন্দলাল হাজরারা জানিয়েছেন, তোলাবাজি থেকে কাটমানি সবকিছু নিয়ে তিতবিরক্ত সাধারণ মানুষ। গনতন্ত্র হারিয়ে গেছে। পুরসভা গুলিতে ভোট নেই, কলেজে ভোট নেই। তৃণমূল বিজেপির নেতারা যে যখন খুশি দলবদলু হচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে মানুষ এবারে বামফ্রন্ট কেই চাইছে। জেলার ছয়টি আসনই এবার তাদের পকেটে আসবে।
তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা গঙ্গারামপুর আসনের প্রার্থী গৌতম দাস জানিয়েছেন, তৃণমূল এ জেলার ছয়টি আসনেই জয়ী হয়ে আছে। বিজেপি, বামফ্রন্ট লড়াই করছে দ্বিতীয় ও তৃতীয় হবার জন্য।

