আমাদের ভারত, ২৩ আগস্ট: মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের সঙ্গে গোয়ার বিষ্ণুপাদ মন্দিরের গর্ভগৃহে গিয়েছিলেন বিহারের মন্ত্রী মহম্মদ ইজরাইল মনসুরি। হিন্দু না হয়েও তিনি কেন ঢুকলেন মন্দিরের গর্ভগৃহে? প্রশ্ন তুলেছেন বিহারের বিজেপি নেতৃত্ব। এনিয়ে তুঙ্গে উঠেছে বিতর্ক। মুখ্যমন্ত্রী নীতিশের বিরুদ্ধে হিন্দু ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার গোয়া সফরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। বিষ্ণুপাদ মন্দিরেও গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় তার সঙ্গে ছিল মনসুরি। নীতিশের সরকারি টুইটার অ্যাকাউন্টে গর্ভগৃহে দাঁড়িয়ে দুজনের পুজো করার ছবি পোস্ট করা হয়েছে। মন্দির থেকে বেরিয়ে মনসুরি বলেন, “বিষ্ণুপাদ মন্দিরের গর্ভগৃহে মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের সঙ্গে প্রবেশ করতে পারা আমার সৌভাগ্য।”
এদিকে মন্দির কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন, হিন্দু ছাড়া অন্য ধর্মের মানুষের মন্দিরে প্রবেশ নিষিদ্ধ। মন্দিরের গেটে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সেটা লেখা রয়েছে। তারপরেও মনসুরি মন্দিরে কিভাবে প্রবেশ করেছেন তা নিয়ে তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। বিজেপি বিধায়করা এনিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের কথায়, মন্দিরে প্রবেশ করে মনসুরি অধর্মের কাজ করেছেন। স্পষ্টভাবে লেখা রয়েছে যে মন্দিরে অহিন্দুরা প্রবেশ করতে পারবে না। তার পরেও কিভাবে প্রবেশ করলেন মনসুরি? এর জন্য মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারকে জবাব দিতে হবে। তিনি হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাত করেছেন। মন্দিরের অবমাননা করেছেন।
বিহার বিজেপির মুখপাত্র তথা জাতীয় সাধারণ সম্পাদক নিখিল আনন্দ বলেন, “নীতিশ কুমার হিন্দু ধর্ম বা হিন্দু রীতিনীতিতে বিশ্বাস করেন না। তিনি এতটা ধর্মনিরপেক্ষ হতে চাইলে মক্কা মদিনায় গিয়ে নামাজ পড়ুন।” তিনি আরো বলেন, “যেভাবে নীতিশ কুমার মন্দির চত্বর দূষিত করেছেন তার জন্য হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং সনাতন ধর্মে বিশ্বাসীদের কাছে তার ক্ষমা চাওয়া উচিত। মুসলিম তোষণের জন্য নীতিশ ছবি তোলার সুযোগ খোঁজেন। এই পদক্ষেপকে ধিক্কার জানাই।”

