“দেশে যদি হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকে, তবেই ধর্মনিরপেক্ষতা, সংবিধান আইন নিয়ে কথা বলা যাবে”

আমাদের ভারত, ২৯ আগস্ট: ভারতের হিন্দুরা যতদিন সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে ততদিন পর্যন্ত সংবিধান, ধর্মনিরপেক্ষতা, আইন নিয়ে কথা বলা যাবে। শুক্রবার গুজরাটের গান্ধীনগরে ভারতমাতার মন্দিরের বিগ্রহ স্থাপন করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। সেই অনুষ্ঠান উপলক্ষে বক্তৃতা দিতে গিয়ে একথা বলেছেন গুজরাতের উপমুখ্যমন্ত্রী নীতিন প্যাটেল।

গুজরাটের উপমুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “ভারতে যতদিন হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে, ততদিনই সংবিধান, আইন ও ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে কথা বলা যাবে। হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে পড়লে আইন-আদালত, লোকসভা কিছুই থাকবে না। ঈশ্বর না করুন আগামী হাজার কিংবা দু’হাজার বছর বাদে এই দেশে যদি অন্য ধর্মের লোকজন সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে পড়ে তাহলে লোকসভা আদালত সবই শূন্যে মিলিয়ে যাবে।”

সম্প্রতি জমিয়ত উলামায়ে হিন্দ গুজরাতের সংশোধিত ধর্মীয় স্বাধীনতা আইন নিয়ে মামলা করেছে। উপমুখ্যমন্ত্রী ওই সংগঠনের সমালোচনা করে বলেন, বলপূর্বক ভিন্ন ধর্মে বিয়ে আটকাতেই আইন করা হয়েছিল। তাতে আলাদা করে কোনও ধর্মের কথা বলা হয়নি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “তাহলে কেন সংশোধিত আইন নিয়ে জমিয়ত আপত্তি করছে?”

তিনি আরও বলেন, দেশের মুসলিম ও খ্রিস্টানদের একটা বড় সংখ্যক দেশপ্রেমিক। তাদের বিরুদ্ধে আমার কিছু বলার নেই। কয়েক হাজার মুসলিম সেনাবাহিনীতে আছেন। গুজরাট পুলিশেও কয়েকশো মুসলিম কাজ করেন। তারা দেশের জন্য কাজ করছেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি বলেন, এঁরা একাধিক যুগান্তকারী পদক্ষেপ করেছেন। সংবিধানের ৩৭০ ধারার রদ, রাম মন্দির নির্মাণ শুরু হয়েছে, এতে সব ধর্মই শক্তিশালী হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *