অশোক সেনগুপ্ত
আমাদের ভারত, ১৫ এপ্রিল: “বছরের আর পাঁচটা দিনের চেয়ে এই দিনটার একটা পার্থক্য আছে। কারণ, বাংলা নববর্ষ। পুত্র স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বিদেশে। আপাতত সঙ্গে বোন আছেন। এই বয়সে শরীরের সুস্থতাই একটা বড় বিষয়।“
এই প্রতিবেদককে কথাগুলো বললেন ভারতীয় জাদুঘরের প্রাক্তন মহানির্দেশক, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের প্রাক্তন সচিব, ৮০ ছুঁইছুঁই ডঃ শ্যামলকান্তি চক্রবর্তী। দক্ষিণ কলকাতায় তিন তলা বাড়ি, মানুষের চেয়ে সরঞ্জাম বেশি। বললেন, “আশায় আছি পুত্র-পুত্রবধূদের জন্য। কয়েক মাস বাদে আসবে অল্প কিছুকালের জন্য। সকালে ঘুম থেকে উঠে রোজকার মত খবরের কাগজের শিরোনামগুলোর ওপর চোখ বোলালাম। দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণতর হচ্ছে। এখন আর ছোট অক্ষর পড়তে পারিনা। এর পর পাঁঠার মাংস দিয়ে লুচি। এটা আমাদের প্রতি ১ বৈশাখের প্রাতঃরাশ।
দুপুরে একটু ঘুম। বিকেলে বসে গেলাম লিখতে। বিষয় প্রস্তরযুগ থেকে হাল আমলের চিত্রকলা। প্রস্তাবিত বইয়ের নাম ‘পেইন্টেড ডিলাইট অফ বেঙ্গল’। সন্ধ্যায় টিভি-র সামনে। পর পর ৩-৪টে সিরিয়াল দেখি। এভাবেই কাটল বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটা।

