আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ১৪ আগস্ট: ২০১৫ সালে জলপাইগুড়ি সদর পঞ্চায়েত সমিতি বামেদের হাত থেকে নিজেদের দখলে নিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বাম রাজনীতিতে হাতেখড়ি হলেও বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের লড়াকু নেত্রী কৃষ্ণা রায় বর্মণ। জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সভাধিপতি নির্বাচনে কৃষ্ণা রায় বর্মণের উপরেই শাদক দল আস্থা রাখলো।
২৪ আসনের জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদে ২৪টি আসনই দখল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রার্থী কে হবেন এই নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই চলছিল জোর জল্পনা। সোমবার জেলা পরিষদের পেক্ষাগৃহে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবের উপস্থিতিতে সভাধিপতি ও সহকারি সভাধিপতির নাম ঘোষণা করা হয়। সভাধিপতি পদে কৃষ্ণা রায় বর্মন এবং সহকারি সভাধিপতি পদে সীমা চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বানারহাট পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ছিলেন সীমাদেবী। বানারহাট জেলা পরিষদের আসন থেকে এবার নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। এদিন জেলা পরিষদের সদ্য নির্বাচিত জয়ী প্রার্থীরা পেক্ষাগৃহে শপথ গ্রহণ করেন। সকলের সুবিধার্থে দুটি প্রজেক্টর বসানো হয় পরিষদ চত্বরে। দলের কর্মীরা সরাসরি শপথ গ্রহণ দেখেন। উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির মেয়র তথা জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষক গৌতম দেব।
জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায় বর্মণ বলেন, “রাস্তা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবো।” জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি সীমা চৌধুরী বলেন, “দল যে দায়িত্ব দিয়েছে পালন করবো।
এদিকে জেলা পরিষদের সদস্যা তথা তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপ বলেন, “রাজ্য কমিটির সিদ্ধান্তে সভাধিপতি ও সহকারি সভাধিপতি করা হয়েছে।”

