আমাদের ভারত, ১৫ ডিসেম্বর:এবার পিছিয়ে পরা সম্প্রদায় গরিব তপশিলি জাতি ভুক্ত মানুষ হিন্দু ধর্ম ছেড়ে ইসলাম বা খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করলে যাবতীয় সরকারি উন্নয়নমূলক প্রকল্প, চাকরি, শিক্ষায় সংরক্ষণের সুযোগ আর পাবে না। কর্নাটকে বিজেপি সরকারের ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইন চালু হওয়ার পর এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে বলে জানা গেছে।
কর্নাটকে পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়, হিন্দু তপশিলি জাতি ভুক্তরা যদি ধর্ম বদল করেন তাহলে তারা আর সংরক্ষণের সুবিধার আওতায় থাকবেন না। সমাজকল্যাণমূলক সরকারি প্রকল্পের সুবিধাও তারা আর দাবি করতে পারবেন না। পিছিয়ে পড়স সম্প্রদায় গরিব তপশিলি জাতি ভুক্ত মানুষ হিন্দু ধর্ম ছেড়ে ইসলাম বা খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করলে যাবতীয় সরকারি উন্নয়নমূলক প্রকল্প, চাকরি, শিক্ষায় সংরক্ষণের সুযোগ আর পাবে না।প্রস্তাবিত আইনে তাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিসেবে দেখা হবে।
রাজ্যের আইনমন্ত্রী জেসি মধুস্বামী বলেছেন, জোর করে ধর্ম বদলের মোকাবিলায় আইন থাকলেও তাতে শাস্তির সংস্থান নেই। তাছাড়া সরকার কঠোর আইনের প্রয়োজন আছে বলে মনে করছে। খসড়া বিলটি খতিয়ে দেখার সময় এইসব যাবতীয় বিষয়গুলো রাজ্য সরকার মাথায় রাখবে। সবটা খতিয়ে দেখার কাজ শেষ হলেই মন্ত্রিসভা বিলটি অনুমোদন করবে।
কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই বলেছেন, নতুন আইন সম্পর্কে নানা মত থাকতে পারে কিন্তু কিছু অংশের বিরোধিতা সত্ত্বেও মানুষের স্বার্থ রক্ষা তারা করবেন। বিলের খসড়া তৈরি প্রক্রিয়ায় যুক্ত লোকজনের কাছে তিনি জানতে পেরেছেন, মূলত গত বছর উত্তরপ্রদেশের পাশ হওয়া বেআইনি ধর্ম বদল রোধ আইনের ধাঁচেই এটি রচিত হয়েছে। আইনে জোর করে কাউকে ধর্ম বদলাতে বাধ্য করার ক্ষেত্রে দশ বছরের কারাবাসের সুপারিশ রয়েছে। তবে তার মূল কথা হলো ধর্মান্তরিত খ্রিস্টানদের সংরক্ষণের সুযোগ করে দেওয়া হবে না।
রাজ্যে গ্রাম উন্নয়ন ও পঞ্চায়েতিরাজ মন্ত্রী ঈশ্বরাপ্পার মতে, কেউ এক ধর্ম ছেড়ে আর এক ধর্ম নিতে চাইলে আগের ধর্মের বরাদ্দ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা তাকে ছাড়তে হবে।

