সাথী দাস, পুরুলিয়া, ১৫ মার্চ: ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হলেন যুব তৃণমূল নেতা। আজ সন্ধ্যেয় এই কথা স্বীকার করেন জেলা পুলিশ সুপার এস সিলভামুরগণ। গ্রেফতার হওয়া দীপক কান্দু নিহত কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর ভাইপো। ভিন্ন দল করার পর থেকেই রাজনীতি দুই পরিবারকে আলাদা করে দেয়। ফাটল ধরে সম্পর্কে।

কাকা তপন কান্দুর প্রতিদ্বন্দ্বী তরুণ ভাইপো। ঝালদার ২ নম্বর ওয়ার্ডে এবার কাকা ভাইপো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কাকা হাত প্রতীকে কংগ্রেসে, আর ভাইপো তৃণমূলের হয়ে লড়াই করে ১২৭ ভোটে কাকার কাছে পরাজিত হন। তার বয়স ৩০-এর নিচে। ঝালদা শহর তৃণমূলের যুব কর্মী হিসেবে পরিচিত ভাইপো দীপক কান্দু। তিনি তাঁর কাকার মত পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদ না হলেও তাঁর পরিবার কিন্তু একেবারে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। মা-বাবা দু’জনেই দীর্ঘদিন ধরে বাম বিরোধী রাজনীতি করছেন। ২০১৫ সালে এই দুই নম্বর ওয়ার্ড থেকে তার মা বাবি কান্দু কংগ্রেসের বিদায়ী কাউন্সিলর ছিলেন। পরবর্তীকালে তিনি অবশ্য তৃণমূলে যোগ দেন। এই ওয়ার্ডে তৃণমূলের প্রার্থী হতে দাবিদার ছিলেন অনেকেই। কিন্তু শেষমেশ টিকিট পেয়েছিলেন বাবি কান্দুর ছেলে দীপক কান্দু।


