অশোক সেনগুপ্ত
আমাদের ভারত, ১৬ নভেম্বর: কখনও চোখরাঙানি, কখনও প্রলোভন। প্রচারমাধ্যমকে বাগে আনতে হরেক কৌশল শাসকদের। নির্দিষ্ট কোনও রাজ্যে নয়, গোটা দেশে। এই টানাপড়েনের মাঝেই বুধবার চলে গেল ১৬ নভেম্বর, আরও একটা ‘ন্যাশনাল প্রেস ডে’।
শিক্ষাবিদ, ভাষাবিদ তথা দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডঃ সোমা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেকটাই সহমত পোষণ করেছেন। তিনি বলেন, “প্রচারমাধ্যমের কাজ সরকার এবং পাঠক বা শ্রোতার মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তোলা। সমাজে এটা একটা শক্তিশালী মাধ্যম। সরকারের নীতি এবং কাজ নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা করা উচিত এই মাধ্যমের। কিন্তু এই দায়িত্বপালনে বড় বিচ্যুতি দেখা যাচ্ছে। প্রচারমাধ্যমের পরিসর আগের চেয়ে বেড়েছে। বড় প্রতিষ্ঠানগুলো সচেতন হলেও ক্ষুদ্র শিল্পের মত ছোট সংস্থাগুলোর বেশির ভাগই স্বার্থান্বেষী। ফলে প্রায়শই একটা বিভ্রান্তি দেখা দেয়। ভারত-সহ তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোর তুলনায় পশ্চিমী উন্নত দেশের প্রচারমাধ্যমের মান ভালো। তবে, উন্নত দেশেও পক্ষপাতিত্বের সমস্যা রয়েছে।”
তাহলে প্রতিকারের পথ কী? ডঃ সোমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়,
১) প্রচারমাধ্যমগুলোকে আরও বেশি গঠনমূলক বা ইতিবাচক খবর পরিবেশন করতে হবে।
২) ভুয়ো খবর, পেড নিউজ এসব বন্ধ করার জন্য আরও সতর্ক হতে হবে প্রেস কাউন্সিলকে।
৩) মানহানিকর বা রাষ্ট্রদ্রোহের খবর পরিবেশনে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক সিদ্ধান্ত নিয়ে তা প্রচার করতে হবে, যাতে বাকিরা সতর্ক হন।

