জে মাহাতো, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ২৬ জুলাই:
বিজেপি করায় গত বছরের ১৪ নভেম্বর পশ্চিম মেদিনীপুরের গোয়ালতোড় থানার বাসিন্দা জিতেন লোহারকে পুলিশ থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে অমানবিক অত্যাচার করে। এর পরেই পুলিশের এই অমানবিক অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে নির্বাচিত পাঁচ জন সাংসদ এবং বিজেপির আইনজীবী ব্যারিস্টার কবীর শংকর বোস জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ দায়ের করে।
অভিযোগের প্রমাণের সাপেক্ষে তারা জিতেন লোহারের উপর নির্মম অত্যাচারের সচিত্র ছবিও দাখিল করে। কমিশন তারপরে পশ্চিমবঙ্গের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ এবং মুখ্যসচিবকে গত বছরের ২২ নভেম্বর আদেশ দেয় এই অভিযোগের ভিত্তিতে বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে। কিন্তু কমিশন চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি লক্ষ্য করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব কিংবা ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ পূর্ববর্তী আদেশের ভিত্তিতে কোনো রকম রিপোর্ট পেশ করেনি। কমিশন সেক্ষেত্রে তাদের পুনরায় রিমাইন্ডার পাঠায়।
এখানে উল্লেখ্য, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের অতিরিক্ত সচিব একটি মেমোতে স্বীকার করে নেয় কমিশন ছ’টি পয়েন্টের বিষয় বিস্তারিত জানতে চেয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মুখ্যসচিব কিংবা ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ প্রতিটি পয়েন্টের বিষয়ে বিস্তারিত উত্তর জানানোর প্রয়োজন বোধ করেনি। কমিশন সবকিছু খুঁটিয়ে দেখার পরে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছায়, পুলিশ কর্মীরা দোষী এবং সেই কারণে রাজ্য সরকারকে একটি শেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কমিশন মুখ্য সচিবের মাধ্যমে জানতে চেয়েছে-
১. পুলিশকর্মীদের কি শাস্তি দেওয়া হবে?
২. পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে এফআইআর কেন করা হয়নি?
৩. জিতেন লোহারকে কত টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে?

