আমাদের ভারত, ২৫ ফেব্রুয়ারি:ভবিষ্যতে আবারও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি ঘাঁটিতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করার মতো পদক্ষেপ নিতে পারে ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জের বৈঠকে এমন ইঙ্গিত দিয়েছে ভারতের সরকারি স্থায়ী প্রতিনিধি নাগরাজ নাইডু। মেক্সিকোয় আয়োজিত আরিয়া ফর্মুলা বৈঠকে রনাগরাজ বলেন, বহু বছর ধরেই আগে আক্রান্ত হলে প্রত্যাঘাতের নীতি অনুসরণ করে এসেছে ভারত। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সীমান্তের ওপারে সন্ত্রাসের ছক কষা হচ্ছে জানতে পারলেই আক্রমণ হানার কৌশল নেওয়া হতে পারে।
রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত, ওই বৈঠকের পাকিস্তানের নাম না করেই নাগরাজ বলেন, তৃতীয় একটি দেশ থেকে যখন নন স্টেট অ্যাক্টরস হামলা চালানোর প্রস্তুতি নেয় তখন তার মোকাবিলা করাই আমাদের নীতি। ৯/১১সন্ত্রাসের পর রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে গৃহীত দুটি প্রস্তাবের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তিনি। এই দুটি সনদে সন্ত্রাস থেকে আত্মরক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের অধিকারের কথা বলা হয়েছিল।
আরিয়া বৈঠকে সুপারিশ গুলি নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে নিরাপত্তা পরিষদে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়। ৯/১১ সন্ত্রাসের পরে ও নিরাপত্তা পরিষদের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট সদস্য রাষ্ট্র গুলির মধ্যে আলাদাভাবে সন্ত্রাস দমনে সম্ভাব্য পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। মেক্সিকোতে নাগরাজ উল্লেখ করেন, পাক জঙ্গি সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়া ভারতের ফিঁদায় হানার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন জঙ্গিদের সাহায্য নিয়ে কোন দেশ যদি ছায়াযুদ্ধ চালাতে চায় তবে চুপ করে বসে থাকবে না ভারত। মুম্বাইয়ে ১৯৯৩ সালে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ, ২৬/১১র হামলা, পাঠানকোট বায়ু সেনা ঘাঁটিতে জঙ্গি হানা, পুলওয়ামা সন্ত্রাসের প্রসঙ্গ তিনি তুলে ধরেন। প্রতিটি ক্ষেত্রেই একটি নির্দিষ্ট দেশ থেকে হামলাকারীদের প্রশিক্ষণ, অর্থসাহায্য, প্রয়োজনীয় তথ্য, অস্ত্র সরবরাহ করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

