প্রস্তাবিত কর্মবিরতির জেরে কড়া হুঁশিয়ারি নবান্নের

আমাদের ভারত, কলকাতা, ১৮ ফেব্রুয়ারি: মহার্ঘভাতার দাবিতে সোম ও মঙ্গলবারের কর্মবিরতির ঘোষণায় কড়া হূুঁশিয়ারি দিল নবান্ন। শনিবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তি মারফৎ এটি প্রচারমাধ্যমের নজরে আনা হয়। অর্থ দফতরের প্রধান সচিব ডঃ মনোজ পন্থের সই করা এই বিজ্ঞপ্তির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে ১৬ জন সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে।

এতে লেখা হয়েছে, ২০ ফেব্রুয়ারি, সোমবার এবং ২১ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার পেন-ডাউন/ধর্মঘটের জন্য কিছু সংগঠন যে ডাক দিয়েছে তার প্রেক্ষিতে বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সমস্ত রাজ্য সরকারী অফিস ও যেগুলি অনুদান পায়, সরকারি নানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যথারীতি খোলা থাকবে। সমস্ত কর্মচারীদের সেই তারিখে কাজের জন্য রিপোর্ট করতে হবে।

সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে ওই দু’দিনের প্রথমার্ধে বা দ্বিতীয়ার্ধে বা পুরো দিনের জন্য অনুপস্থিতির জন্য কোনও নৈমিত্তিক ছুটি দেওয়া হবে না। সেই তারিখগুলিতে কোনও কর্মচারীকে অন্য কোনও ছুটি দেওয়া হবে না। যে কর্মচারীরা ১৭ ফেব্রুয়ারি ছুটিতে ছিলেন তাঁদের ২০ ফেব্রুয়ারি ডিউটির জন্য রিপোর্ট করতে হবে। অন্যথায় কর্মচারীদের অনুপস্থিতিকে চাকরিতে ছেদ হিসাবে গণ্য করা হবে।

নিম্নলিখিত কারণগুলি না হলে এই অনুপস্থিতির জন্য কোনও বেতন দেওয়া হবে না:
ক) কর্মচারীদের হাসপাতালে ভর্তি করা;
খ) পরিবারে শোক;
গ) গুরুতর অসুস্থতা।

যাঁরা সোমবার বা মঙ্গলবার বা উভয় দিনে অনুপস্থিত থাকবেন, সংশ্লিষ্ট সকল অফিসের প্রধান/নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করবেন। কেন এই ধরনের অননুমোদিত অনুপস্থিতির জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা ব্যাখ্যা করতে বলা হবে। সন্তোষজনক উত্তর প্রাপ্তির পরে, উপরে উল্লিখিত ভিত্তিতে প্রামাণ্য প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য প্রাপ্য ছুটি এবং গ্রহণযোগ্য মঞ্জুর করা যেতে পারে।

যেখানে অনুপস্থিতি উপরে উল্লিখিত কোনো কারণে ছুটি মঞ্জুর করা হবে না, সেখানে এটি ‘ছেদ’ হিসাবে বিবেচিত হবে। উল্লিখিত দিনের জন্য কোনও বেতন দেওয়া হবে না। যাঁরা কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দেবে না, তাঁদের শাস্তি দেওয়া হবে।

এই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে সমস্ত পদক্ষেপ ২৮ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবারের মধ্যে শেষ করতে হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *