স্বরূপ দত্ত, আমাদের ভারত, উত্তর দিনাজপুর, ১২ নভেম্বর: শুক্রবার রায়গঞ্জ শহরের ব্যস্ততম এলাকা রবীন্দ্রপল্লীতে ফাঁকা বাড়িতে গৃহবধূর গলার নলি কেটে খুনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত নেমেছে পুলিশ। শনিবার ওই গৃহবধূর ময়নাতদন্ত হয় রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে। প্রাথমিকভাবে এই খুনের ঘটনায় নানা ধরনের তত্ত্ব উঠে এলেও, পুলিশের সন্দেহ পূর্ব পরিচিত কোনো ব্যক্তির হাতেই খুন হতে হয়েছে ৪২ বছর বয়সী ওই গৃহবধূকে।

শনিবার পুলিশের দাবিকেই এক প্রকার সিলমোহর দিল মৃতার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যরা। সিসিটিভি ফুটেজে যে ব্যক্তিকে বিকেল তিনটে আঠাশ নাগাদ সুপ্রিয়া দেবীর বাড়ির গলি থেকে বের হতে দেখা গিয়েছে। যার পরনে ছিল মেরুন রঙের জামা ও মুখে ছিল মাস্ক। পরিবারের লোকেদের দাবি, ওই ব্যক্তি সুপ্রিয়া দেবীর পূর্ব পরিচিত। তার বাড়ি কোচবিহার জেলার চ্যাংড়াবান্ধা এলাকায়।
অন্যদিকে, দিনে দুপুরে শহরের মূল রাস্তা এনএস রোডের পাশেই ঘটে যাওয়া এহেন হাড়হিম করা ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকাবাসীরদের মধ্যে। শুধু স্থানীয় রবীন্দ্রপল্লী এলাকা নয়, আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা রায়গঞ্জ শহর জুড়েই। এর আগেও ফাঁকা বাড়িতে রায়গঞ্জ পুর এলাকার বিভিন্ন জায়গায় দুষ্কৃতী হামলা ঘটেছে। তাই এই ব্যাপারে আরও পুলিশি নজরদারি ও তৎপরতার প্রয়োজন বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে বাড়ির বিছানা থেকে গলার নলি কাটা অবস্থায় ওই গৃহবধূর দেহ উদ্ধার হয়। মৃতার পুত্র সন্তান বিদ্যালয় থেকে বাড়িতে এসে প্রথমে বিষয়টি লক্ষ্য করে। খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে ছুটে যায় ডিএসপি লিওন তামাং। আনা হয় পুলিশ কুকুরও। পুলিশের দাবি, খুনির সঙ্গে ওই গৃহবধূর পূর্বপরিচয় ছিল। ঘটনার তদন্ত চলছে। খুব শীঘ্রই খুনি ধরা পড়বে বলেও দাবি পুলিশের।

